করোনা পরিস্থিতি সামলাতে দেশের পাশে ইসরো! তুঙ্গে উন্নত মানের ভেন্টিলিটার তৈরীর কাজ

গতবছর প্রথম ভারতবর্ষে হামলা চালিয়েছিল করোনা। মৃত্যু হয়েছিল লক্ষাধিক। মহামারী সঙ্গে যুঝে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই‌ও শুরু হয়েছিল তবে থেকেই। শেষ কয়েক মাসে কিছুটা উন্নতিও হয়েছিল করোনা পরিস্থিতির। কিন্তু তা সাময়িক। ফের ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে দেশের করোনা পরিস্থিতি।

করোনার প্রথম ঢেউ আছড়ে পড়ার সময়েই উন্নত মানের ভেন্টিলেটর তৈরীর কাজ শুরু করেছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ISRO। কিন্তু মাঝে করোনার প্রকোপ কিছুটা স্তিমিত হওয়ায় কিছুটা ধীরে চলছিল সেই কাজ। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ফের কঠিন হয়ে যাওয়ায় ফের দ্রুত গতিতে শুরু কাজ। কেন্দ্রীয় সরকারের আর্জি মেনে অক্সিজেন সরবরাহের প্রচেষ্টাও চালাচ্ছে এই সংস্থা l

উল্লেখ্য, গত বছর মে মাসে থুম্বায় বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে তিনটি ভেন্টিলেটরের মডেল প্রকাশ করেছিল ইসরো। এর মধ্যে দুটির ইতিমধ্যেই যাচাই পর্ব চলছে। তাছাড়া ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের জন্য এমনিতেই প্রচুর পরিমাণ তরল অক্সিজেন সংগ্রহ করে ইসরো।

ইসরোর এক গবেষকের কথায়, ‘আমরা করোনা পরিস্থিতি মাথায় রেখে দ্রুত গতিতে ভেন্টিলেটর তৈরীর কাজ করছিলাম। মাঝে একটু করোনা কমেছিল। ফলে কাজের গতিও একটু কমেছিল। কিন্তু সেকেন্ড ওয়েভে আবার দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই ট্রায়াল রানের জন্য তৈরী হয়ে যাবে এই ভেন্টিলেটরগুলি।’

ভারতে দ্বিতীয় বারের মতো করোনা ভয়াবহ আকার ধারণ করলে সরকার  অক্সিজেনের সরবরাহের জন্য আবেদন করে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার কাছে। এই বিষয়ে এক গবেষক জানিয়েছেন,  ‘অক্সিজেনের অভাবই এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা। সরবরাহের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে যথাসময়ে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়াটাও বেশ বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার এই বিষয়ে ইসরোর কাছে সাহায্য চেয়েছে। ইসরো এমনিতেই মহাকাশ গবেষণার কাজে তরল অক্সিজেন সংগ্রহ করে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সরকারকে কীভাবে সাহায্য করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।’

জাতীয় স্তরের একটি কোভিড ট্র্যাকারের মাধ্যমে সরকারের কোভিড মোকাবিলার লড়াইয়ে ইতিমধ্যেই ইসরো সাহায্য করছে। ‘Bhuvan-COVID-19’ ট্র্যাকার ডেভেলপ করেছে ইসরোর ন্যাশানাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার।

RELATED Articles