হাতে ‘শ্রী রাম’ লেখা ট্যাটু, মুখে রামের জয়গান! রাম মন্দির নির্মাণে ১১ হাজার টাকা দান মানবতায় বিশ্বাসী মুসলিম যুবতীর

রাম মন্দির নির্মাণের জন্য আর্থিক দানের ক্ষেত্রে ধর্ম বিভেদ করা হবেনা। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে অনুদান গ্রহণ হবে। এমনটাই জানানো হয়েছিল রাম মন্দিরের ট্রাস্টের পক্ষ থেকে l

আর এবার বিশ্বের সবচেয়ে বড় হিন্দু মন্দির নির্মাণে আর্থিক সহায়তা করলো এক মুসলিম যুবতীর। হিন্দু- মুসলিম ধর্মে বিভেদ নয় মানবতায় বিশ্বাসী এই আইনের ছাত্রী রাম মন্দির নির্মাণের খাতে ১১ হাজার টাকার চেক তুলে দিয়েছেন অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির হাতে। তাঁর হাতে জ্বলজ্বল করছে ‘শ্রী রাম’ লেখা ট্যাটু, মুখে রামের নামে জয়ধ্বনি।

হাতে 'শ্রী রাম' লেখা ট্যাটু, মুখে রামের জয়গান! রাম মন্দির নির্মাণে ১১ হাজার টাকা দান মানবতায় বিশ্বাসী মুসলিম যুবতীর

চন্দোলি জেলার পিডিডিইউ নগরের হনুমাপুরের বাসিন্দা ইকরা আনোয়ার নামের ওই যুবতী বলেন, ‘শ্রী রামের থেকে বড় কোনও ভগবান নেই। রাম মন্দির নির্মাণের জন্য বহু বছর আমরা অপেক্ষা করেছি, ভূমি পুজোর সময় আমরা সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছি। আর সেই ক্ষণকে স্মরণীয় করতেই আমি হাতে শ্রী রামের নামে ট্যাটু বানিয়েছি।’

হিন্দু-মুসলিমের সাম্প্রদায়িক ভারতবর্ষে ইকরা’র কথা বিশ্বাস জাগায়। এই দুই ধর্মের মানুষদের লেলিয়ে দিয়ে ফায়দা লোটা রাজনীতিকদের মুখে সপাটে চড় কষিয়ে ইকরা খান জানান, শ্রী রাম তাঁদের পূর্ব পুরুষ। আর সেই কারণে অয্যোধ্যায় রাম মন্দির বানানোর জন্য সে সামান্য কিছু সহায়তা রাশি দিয়েছে। ইকরা বলে, রাজনৈতিক নেতারা ধর্ম ভাগ করার নামে রাজনীতি করে।

তাঁর কথায়, ‘ধর্ম আলাদা-আলাদা হয় না, এটা বলেই আমি তাঁদের মুখে কষিয়ে চড় মারতে চাই।’ ইকরা বলে, ধর্ম একটাই আর সেটা হল মানবতার ধর্ম। আমি মানুষ হিসেবে রাম মন্দির নির্মাণের অংশ হচ্ছি। ইকরা জানায়, হিন্দু-মুসলিম দুই ধর্মের প্রতিই আমার বিশ্বাস আছে। ইকরা বলে, আমি মন্দিরেও যাই আবার বাড়িতে নামাজও পড়ি।

RELATED Articles