লকডাউনের মধ্যেই গত জুন মাসে বিয়ে হয় তাদের। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্বামী কেমন যেন দূরে দূরে। যৌন সঙ্গম তো দূর, কোনওদিন স্ত্রীকে ছুঁয়েও দেখেন নি স্বামী। স্বামীর এমন আচরন কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না স্ত্রী। আসল কী সমস্যা বুঝতে না পেরে শেষমেশ স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন স্ত্রী। প্রশ্ন তোলেন স্বামীর পুরুষত্ব নিয়ে। এদিকে স্ত্রীকে প্রমাণ দিতে নিজের মেডিক্যাল টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেন ওই ব্যক্তি।
ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সুরক্ষা বিধি মেনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছেন সকলেই। কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও সামাজিক দুরত্ব, এ ঘটনা বিরল। লকডাউনের মধ্যেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ভোপালের এক দম্পতি। কিন্তু করোনা সংক্রমণের ভয়ে স্ত্রীর থেকে দূরে দূরেই থাকতেন স্বামী। এমনকি জানা গিয়েছে, কথা বলার সময়েও দুরত্ব বজায় রাখছিলেন স্বামী। কিন্তু নতুন বউ, কোথায় স্বামীর একটু সোহাগ পাবে, তা না, তাকে কোনওদিন কাছেই পান নি তিনি। স্বামীর এই মনোভাব কিছুতেই মানতে পারছিলেন না স্ত্রী।
বেশ কিছুদিন এরকম চলার পর একপ্রকার রেগে গিয়েই স্বামীর ঘোর ছাড়েন স্ত্রী। এরপর স্বামীর বিরুদ্ধে আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। অভিযোগ করেন যে, তার স্বামী যৌনমিলনে অক্ষম। এরজন্য বেশ মোটা অঙ্কের খোরপোষও দাবী করেন মহিলা।
ঘটনার গুরুত্ব বুঝে মহিলার স্বামীকে ডেকে পাঠায় কর্তৃপক্ষ। এরপর স্ত্রীকে ভুল প্রমাণিত করতে অবশেষে মেডিক্যাল টেস্ট করানোর সিদ্ধান্ত নেন ওই ব্যক্তি। টেস্টে ধরা পড়ে যে ওই ব্যক্তির যৌনমিলনে কোনও অক্ষমতা নেই। টেস্টের রিপোর্ট ইতিবাচক আসার পর স্ত্রীকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান স্বামী।
পরে ওই ব্যক্তি আইনের কর্তৃপক্ষকে জানান যে, নিজের ও পরিবারের সুরক্ষার কথা ভেবেই তিনি স্ত্রীয়ের থেকে দূরে দূরে থাকছিলেন। বিয়ের পরই তার স্ত্রীর পরিবারের বেশ কিছু সদস্যের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।





