ডিভোর্স চাই? দিতে হবে ৪৫ লাখ! স্ত্রীর অদ্ভুত দাবিতে হতবাক স্বামী, ভাইরাল ভিডিও!

সম্পর্কে ভালোবাসা, বন্ধুত্ব আর পারস্পরিক বোঝাপড়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান সময়ে সম্পর্কের সমীকরণ বদলেছে অনেকটাই। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে শুধুই ভালোবাসা নয়, কোথাও যেন মিশে যাচ্ছে স্বার্থপরতা আর টাকার মোহ। প্রেমের সম্পর্কে স্বচ্ছতা না থাকলে, বিশ্বাসের জায়গাটা নড়ে গেলে, একটা সময় গিয়ে তা হয়ে ওঠে যন্ত্রণাদায়ক। তখন বিয়ে আর সম্পর্ক রক্ষা করা হয়ে ওঠে বোঝার মতো।

সম্প্রতি এমনই এক ঘটনায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে নেটদুনিয়ায়। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় হামেশাই চর্চা হয়। অনেক সময় হাস্যকর ভিডিও ভাইরাল হয়, আবার কখনও বা কিছু ঘটনা অবাক করে দেয় নেটিজেনদের। এই ঘটনার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এক যুবক তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন। শুধু তাই নয়, সেই ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সর্বত্র। অনেকের মনে প্রশ্ন, সম্পর্ক কি সত্যিই টাকার ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে?

অভিযোগকারী যুবকের নাম শ্রীকান্ত। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, থাকেন বেঙ্গালুরুতে। ২০২২ সালে বিয়ে হয় তাঁর। প্রথমে সবকিছু ঠিক থাকলেও, ধীরে ধীরে শুরু হয় সমস্যা। তাঁর অভিযোগ, স্ত্রী তাঁকে নিয়মিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন। কখনও অযথা ঝগড়া, কখনও বা পেশাদার জীবনে বাধা দেওয়া— নানা উপায়ে তাঁকে হেনস্তা করতেন তাঁর স্ত্রী। কিন্তু আসল চমক তখনই আসে, যখন স্ত্রীর কিছু চাহিদার কথা সামনে আসে।

আরও পড়ুনঃ যে মেয়ের দেহ সৎকার করেছিল পরিবার, সে-ই ফিরে এল ১৮ মাস পর! তাহলে দাহ করা দেহটি কার? পুলিশের ভয়ংকর ভুলে ফাঁসল ৪ যুবক!

শ্রীকান্তের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী দাবি করেন, রাতে একসঙ্গে থাকতে হলে তাঁকে প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা দিতে হবে। শুধু তাই নয়, যদি ডিভোর্স চাই, তাহলে দিতে হবে ৪৫ লক্ষ টাকা! এই কথোপকথনের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। শুধু তাই নয়, স্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি কোনওভাবেই ‘জৈবিক’ সন্তান চান না। সন্তান গর্ভে ধারণ করলে তাঁর ‘ফিগার’ নষ্ট হয়ে যাবে— এই যুক্তিতেই তিনি দত্তক নেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। এই বিষয়গুলো মেনে নিতে পারেননি শ্রীকান্ত, আর সেখান থেকেই সম্পর্কে আরও তিক্ততা বাড়তে থাকে।

এখানেই শেষ নয়, শ্রীকান্তের দাবি, তাঁর স্ত্রী ইচ্ছে করে তাঁর অফিসের অনলাইন মিটিংয়ের মাঝখানে এসে নাচতে শুরু করতেন, জোরে গান চালিয়ে দিতেন, যাতে তাঁর কাজের ক্ষতি হয়। এত কিছুর পর আর সহ্য করতে না পেরে শেষমেশ পুলিশের দ্বারস্থ হন শ্রীকান্ত। যদিও পুলিশের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে ‘৫ হাজার টাকার’ প্রসঙ্গটি তিনি উল্লেখ করেননি। ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, অভিযোগ কতটা সত্যি? অন্যদিকে, শ্রীকান্তের স্ত্রীর পরিবার এই সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে। কিন্তু সোশাল মিডিয়ায় যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে, তা দেখে সাধারণ মানুষের চোখ কপালে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত এই ঘটনায় কী হয়, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

Jui Nag

আমি জুই নাগ, পেশায় নিউজ কপি রাইটার, লেখালেখিই আমার প্যাশন। বিনোদন, পলিটিক্স ও সাম্প্রতিক খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য। তথ্যভিত্তিক ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে সঠিক সংবাদ পৌঁছে দিই।

আরও পড়ুন

RELATED Articles