ঘাড় এখনও শক্ত হয় নি। কিন্তু তা বললে কি আর চলে! অফিসে তো যেতেই হবে। আর তাই আইএএস অফিসারের কোলে চড়ে নিত্য অফিস আসছেন ২২ দিনের কন্যা। সম্পর্কে আইএএস অফিসার(IAS officer) যে তারই ‘মা’। অফিসে মহিলা কর্মীরা সদাই সুযোগ-সুবিধা একটু বেশি পেয়ে থাকেন এমন অভিযোগ সেই প্রাচীন যুগ থেকে এখনও পর্যন্ত করে আসছেন পুরুষ সহকর্মীরা।
পুরুষদের বিভিন্ন অভিযোগের মধ্যে অন্যতম মহিলা কর্মচারীদের মাতৃত্বকালীন ছূটি৷ সেইক্ষেত্রে পাওয়া যায় কিছু অতিরিক্ত সুবিধাও! মহিলা সহকর্মীদের এই সুবিধাকে তাঁরা বিশেষ সুবিধা বলেও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করতেও দুবার ভাবেন না। কিন্তু এবার এমনই পুরুষ সমাজকে হতবাক করে সন্তান জন্মানোর মাত্র ২২ দিনের মাথায় নিজের অফিসে ফিরলেন গাজিয়াবাদের মোদিনগরের এসডিএম সৌম্যা পান্ডে (Soumya Pandey)।
তাঁর কর্মকাণ্ডে বর্তমানে রীতিমতো ভাইরাল তিনি। একদিকে নিজের কাজের প্রতি চরম পেশাদারিত্ব অন্যদিকে সদ্য মা হওয়ার দায়িত্ব ও মাতৃত্ব চরম দক্ষতায় সামলাচ্ছেন তিনি। করোনা পরিস্থিতিতেই মাতৃত্বের স্বাদ পেয়েছেন ২০১৭ ব্যাচের তরুণ তুর্কি আধিকারিক! বর্তমান সময়ে প্রশাসনিক কাজের চাপ প্রচন্ড। করোনা মহামারীর জেরে ভয়াল, জটিল পরিস্থিতি। আর তাই নিজের পেশাদারিত্বে গাফিলতি করতে পারলেন না এই আইএএস অফিসার।
একসঙ্গে দুটি গুরুদায়িত্ব পালন করার কঠিন চ্যালেঞ্জ তাই নিয়েই ফেলেছেন তিনি। আর তাঁর এই পদক্ষেপে মজেছে দেশবাসী! এই দায়িত্বশীল মা ও আধিকারিককে কুর্নিশ করছেন নেটিজেনরা৷ সন্তানের যত্ন নেওয়ায় কোনও কসুর করছেন না৷ নিজের কাছে আসা বিভিন্ন ফাইল স্যানেটাইজ করছেন বারবার৷ ২২ দিন থেকে মায়ের যত্ন ও আধিকারিকরের দায়িত্ব পালন করছেন৷
সৌম্যা বলেছেন, গর্ভবস্থাকালে তিনি সকলের থেকে অনেকরকম সুবিধা পেয়েছেন৷ তাই নিজের শারীরিক অবস্থা ঠিক হতেই তিনি কাজের দুনিয়ায় ফিরে তিনি খুবই স্বচ্ছন্দ৷ গাজিয়াবাদ প্রশাসন তাঁকে সবরকম ভাবে সাহায্য করেছে তাই এই কঠিন সময়ে কাজ থেকে দূরে সরে থাকতে পারছেন তিনি৷






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার