Us tariff : রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতের কড়া সমালোচনা আমেরিকার! অন্যদিকে চিন-রাশিয়ার সঙ্গে মোদীর বৈঠককে ‘দেখনদারি’ বলল ট্রাম্প প্রশাসন!

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে নতুন সমীকরণ। একদিকে ভারত, রাশিয়া ও চিনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে নানা বৈঠকের মাধ্যমে, অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসন এই জোটকে কিছুটা সন্দেহের চোখে দেখছে। বিশেষত রাশিয়া থেকে তেল কেনার প্রসঙ্গ ঘিরেই নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্কে। তবে এ নিয়েও আশাবাদী মন্তব্য এসেছে আমেরিকার তরফ থেকে।

সোমবার চিনের তিয়ানজিন শহরে হয়েছিল সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলন। গত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকের পর এবার মুখোমুখি হলেন রাষ্ট্রনেতারা। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এমন পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক বার্তা খুঁজছিল বিশ্ব। কিন্তু মার্কিন দিক থেকে এই বৈঠককে খুব গুরুত্ব দিতে নারাজ ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন রাজস্বসচিব স্কট বেসান্ত দাবি করেছেন, “এসসিও আসলে দেখনদারি ছাড়া আর কিছু নয়।” তাঁর মতে, এই সম্মেলনে যতটা বড় করে বিষয়টিকে দেখানো হচ্ছে, বাস্তবে ততটা কার্যকর কিছু ঘটছে না। আরও কঠোর সুরে তিনি অভিযোগ তোলেন যে ভারত ও চিন রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে সমরাস্ত্রের জন্য তেল কিনছে, যা খুব খারাপ কাজ। তাঁর মন্তব্য, এইভাবে নয়াদিল্লি ও বেজিং রাশিয়াকে বাড়তি শক্তি জোগাচ্ছে।

তবে সমালোচনা করলেও ভারত নিয়ে কিছুটা ইত বাচক মন্তব্যও করেছেন বেসান্ত। তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত আমেরিকার কাছে রাশিয়া ও চিনের তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মূল্যবোধের দিক থেকেও নয়াদিল্লি ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি তাঁর। মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আশাবাদী সুরে জানান, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে তৈরি হওয়া মতবিরোধ শীঘ্রই মিটে যাবে।

আরও পড়ুনঃ Abhijit Gangopadhyay : ‘‘এটি সম্পূর্ণ তালিকা নয়, অন্তত ছ’হাজার অযোগ্য নিয়োগ হয়েছে’’— দাবি প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের!

ভারতের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আশার কথা আগেও জানিয়েছিলেন বেসান্ত। তাঁর বক্তব্য, কয়েক মাস আগেই তিনি ভেবেছিলেন মে বা জুনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা হবে। তবে রাশিয়া থেকে অশোধিত তেল কেনার বিষয়টি ভারতের পক্ষ থেকে একধরনের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি তাঁর। সব মিলিয়ে স্পষ্ট, আপাতত আমেরিকা ভারতের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হলেও, কূটনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও আশার আলো দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles