করোনার থাবায় জর্জরিত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, ইতালি, ফ্রান্স সহ আরো অনেক দেশেই এখন মৃত্যুমিছিল বেরিয়েছে। আমেরিকা ইস্টারের দিন মৃত্যু গুনেছে সব চেয়ে বেশি। এর পাশাপাশি ভারতেও বাড়ছে সংক্রমনের সংখ্যা। সংক্রমন রুখতে গত ২৪শে মার্চ মধ্যরাত থেকে লকডাউনের ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জরুরি কাজ ছাড়া বাড়ি থেকে না বেরোনোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের বক্তব্য এই লকডাউনের জেরেই বাকি দেশের থেকে সংক্রমন ও মৃত্যুর হার এ দেশে অনেক কম। তাই এই লকডাউন কেই এখনও কিছুদিন মেনে চলতে হবে।
রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের যুগ্ম-সচিব লব আগরওয়াল বলেছেন, গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৯০৯ টি নতুন করোনাভাইরাস সংক্রামিত ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া গেছে। দেশে এখন মোট সংক্রামিতের সংখ্যা ৮,৩৫৬ এ পৌঁছেছে।
সংক্রমণের নিরিখে সারা দেশের মধ্যে এখনও শীর্ষস্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে ১,৭৬১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে মোট ১২৭ জনের।এরপর রয়েছে দিল্লি, তামিলনাড়ু, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ। দিল্লির ক্ষেত্রেও সংক্রমন ১০০০ ছুঁল।
এখনও অবধি ,“ভারতে মোট ৮,৩৫৬ টা কেস রেজিস্টার্ড হয়েছে এর মধ্যে এখনো ২৭৩ জন মারা গেছেন এবং কোভিড-১৯ সংক্রামিতদের মধ্যে ৭১৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। গত ২৪ ঘন্টায় মারা গেছেন ৩৪ জন”, জানান লব আগারওয়াল। তিনি আরও বলেন সরকার সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে টেস্ট কিটেরসংখ্যা বাড়াচ্ছে। এর জন্য আমরা স্বাস্থ্য দপ্তর এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সাথে আলোচনায় করেছি।
তিনি বলেছেন, “এই প্রয়াসকে সমর্থন করার জন্য, এইমস এবং নিমহানস সহ ১৪ টি প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকে করা হয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা সরকারি মেডিকেল কলেজগুলিতে আমাদের কোভিড-১৯ এর পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে পারব” ।






