স্থানীয় কাউন্সিলররা চাল নিয়ে যাওয়ায় রেশন দোকানীরা সাধারণ মানুষকে কম পরিমান চাল দিচ্ছেন। এতদিন ধরে শুনে আসা সাধারণ মানুষের অভিযোগ প্রায় মেনেই নিলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
তিনি উত্তর ২৪ পরগণার ‘ডি এইচ ও’ অফিসের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অভিযোগ জানান যে একাধিক জায়গায় স্থানীয় কাউন্সিলররা চাল নিয়ে চলে যাচ্ছে এবং এর ফলে রেশন ডিলাররা গ্রাহকদের কম পরিমাণে চাল দিতে বাধ্য হচ্ছে। তিনি বলেন তাঁর কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে দমদম, কামারহাটি, ভাটপাড়া , টিটাগড়, হালিশহরের কাউন্সিলররা চাল, আটা রেশন ডিলারদের কাছ থেকে নিয়ে চলে যাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে কড়া ভাষায় বিষয়টি দেখতে বলেন। এছাড়াও হেলেঞ্চা, বাগদা বিভিন্ন অঞ্চলের রেশনে আটা কম দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এবং সেখানকার খাদ্যকর্তাকে কঠোরভাবে দুর্নীতি রোধ করতে বলেন।
এর আগে লকডাউনে রেশন নিয়ে দুর্নীতি ও অশান্তি ঠেকাতে টোল ফ্রি নম্বর চালু করেছিল রাজ্য সরকার। এছাড়াও প্রতি ৪টি রেশন দোকান পিছু একজন করে পর্যবেক্ষক রাখারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত ২৫ জন রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে। লকডাউন উঠলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বাতিল করা হতে পারে লাইসেন্সও।
লকডাউন শুরুর পর থেকেই রেশন নিয়ে বহু অভিযোগ জমা পড়ছে। কোথাও রেশনের মাল কম দেওয়া, কোথাও রেশনের সামগ্রীকে দলের বলে প্রচার করা। এছাড়া রেশনের মাল পাচারের অভিযোগও জমা পড়েছে। এছাড়া অভিযোগ, কোথাও কোথাও রেশন ডিলাররা নানা কারণ দেখিয়ে দোকান খুলছেন না। কোথাও কর্মী আসতে পারছেন না। কোথাও আবার স্টক তোলার মতো গাড়ি বা স্থানীয় শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও আবার রেশন সামগ্রী কম দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে।






