দূরপাল্লার ট্রেনে ভ্রমণ এখন অনেকটাই পরিকল্পনার উপর নির্ভরশীল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে প্ল্যান বদলানোও নতুন কিছু নয়। কখনও কাজের চাপ, কখনও ব্যক্তিগত কারণ অনেকেই যাত্রার আগে টিকিট বাতিল করতে বাধ্য হন। আর সেই জায়গাতেই বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে সাধারণ যাত্রীদের পকেটে।
সম্প্রতি অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, ভারতীয় রেল যাত্রী পরিষেবা উন্নত করতে একাধিক বড় সংস্কারের পথে হাঁটছে। তার মধ্যেই অন্যতম টিকিট বাতিলের নিয়মে পরিবর্তন। লক্ষ্য একটাই, শেষ মুহূর্তে টিকিট বাতিলের প্রবণতা কমানো এবং অপেক্ষমাণ যাত্রীদের সুযোগ বাড়ানো।
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্রেন ছাড়ার ৮ ঘণ্টা বা তার কম সময় আগে যদি ‘কনফার্মড’ টিকিট বাতিল করা হয়, তাহলে আর কোনও ভাড়া ফেরত পাওয়া যাবে না। আগে এই সময়সীমা ছিল ৪ ঘণ্টা। অর্থাৎ, এখন যাত্রীদের আরও আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই পরিবর্তন কার্যকর হলে শেষ মুহূর্তে বাতিল করার প্রবণতা অনেকটাই কমবে বলেই মনে করছে রেল।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ট্রেন ছাড়ার ৭২ ঘণ্টা আগে টিকিট বাতিল করলে যাত্রীরা প্রায় পুরো ভাড়া ফেরত পাবেন শুধু একটি নির্দিষ্ট বাতিল ফি কাটা হবে। ৭২ ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করলে ভাড়ার ২৫% কেটে নেওয়া হবে। আর ২৪ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করলে ৫০% কাটা হবে। এই ধাপে ধাপে কাটার নিয়ম যাত্রীদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে বাধ্য করবে।
আরও পড়ুনঃ ১৬ বছরের এক কিশোরী, স্টুডিওর প্রথম রিহার্সাল আর যা ঘটল তা বদলে দিল ভারতীয় সংগীতের ইতিহাস! জানেন কি শ্রেয়া ঘোষালের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান দিনের গল্প?
এতদিন পর্যন্ত ট্রেন ছাড়ার ৪ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত বাতিল করলে কিছুটা ভাড়া ফেরত মিলত। তার পরে আর কোনও টাকা ফেরত পাওয়া যেত না। এখন সেই সীমা বাড়িয়ে ৮ ঘণ্টা করার ভাবনা চলছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ‘অমৃত ভারত’ ও ‘বন্দে ভারত’ এক্সপ্রেসে এই নিয়ম ইতিমধ্যেই চালু রয়েছে। ফলে খুব শীঘ্রই এই নিয়ম সব দূরপাল্লার ট্রেনেই কার্যকর হতে পারে এমনটাই ইঙ্গিত মিলছে।





