করোনা সংক্রমণ রুখতে গোটা দেশ জুড়েই জারি করা হয়েছে লকডাউন। প্রথম দফা, দ্বিতীয় দফা মিলিয়ে
টানা ৪০ দিনের এই লকডাউনে প্রায় স্তব্ধ গোটা দেশ। গত ২০ এপ্রিল নির্দেশিকা জারি করে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন আর কতদিন লকডাউন জারি থাকবে দেশে। নাকি ৩ তারিখের পরই উঠে যাবে লকডাউন।
ইতিমধ্যে লকডাউন অনেকটাই শিথিল করেছে কেরল। অন্যদিনে দিল্লি, পঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গসহ একাধিক রাজ্য এখনও লকডাউন ইস্যুতে কড়াই রয়েছে। এই পরিস্থিতি দাঁড়িয়ে দেশের করোনা-সংকট ও লকডাউন ইস্যুতে আজ দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে মেঘালয়া জানিয়েছে আগামী ৩রা মে-র পরেও রাজ্যে লকডাউন পুরোপুরি তাঁরা তুলবে না।
https://twitter.com/ANI/status/1254680001770856450?s=20
বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যগুলির কাছে আবেদন জানিয়েছেন, লকডাউন তুলে দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করতে। আগেই করোনা আক্রান্ত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করতে লাল, সবুজ আর কমলা জোনে ভাগ করা হয়েছিল পুরো দেশকে। সেই বিভাজনের কথা মাথায় রেখেই লকডাউন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ৩ মে-র পর ধাপে ধাপে উঠে যেতে পারে লকডাউন। প্রথম দফায় লকডাউন তুলে নেওয়া হবে সবুজ জোন হিসেবে চিহ্নিত করোনামুক্ত এলাকায়। এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন দেড় মাসের লকডাউনের কার্যকর করায় কয়েক হাজার মানুষের প্রাণহানি রোধ করা গেছে।
https://twitter.com/ANI/status/1254689385473363970?s=20
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথায় ভারতের অবস্থা বিশ্বের বাকি দেশগুলির থেকে অনেকাংশেই ভালো। ৩ ঘণ্টার এই বৈঠকে লকডাউন ছাড়াও দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সূত্রের খবর দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খুব একটা সংকটজনক নয় বলেও প্রধানমন্ত্রী সবকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের আশ্বস্ত করেছেন। তিনি বলেছেন অর্থনীতি নিয়ে এখনই বেশি চিন্তা করার মত কিছু নেই। কিছু রাজ্য লকডাউন শিথিল করার পাশাপাশি কাজকর্ম পুনরায় শুরু করা আবেদন জানিয়েছে। অধিকাংশ রাজ্যই এই মুহূর্তে রেল ও বিমান পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার পক্ষেই সওয়াল করেছে। তাই রেল ও উড়ান যোগাযোগ আগামী ৩ মে-র পরেও বন্ধ থাকতে পারে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।






