সাড়ে তিন বছরের এক নার্সারি স্কুল পড়ুয়াকে ধ’র্ষ’ণ করল স্কুলের বাসচালক। আর সেই ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন এক মহিলা কর্মী। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় মঙ্গলবারই বাসচালক ও মহিলা কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর ঠিক পরই অভিযুক্তের বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে।
ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা পড়ুয়া ভোপালের একটি বেসরকারি স্কুলের ছাত্রী। স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর ওই ছাত্রীর মা দেখেন যে তার জামা বদলে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করলে তারা কিছু জানে না বলে জানায়।
এরপর শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করতেই আসল ঘটনা সামনে জানতে পারে তার পরিবার। সে জানায় যে বাস-কাকু তার পোশাক বদলে দিয়েছে। এরপরেই বাস চালকের কুকীর্তির কথা বাবা-মাকে খুলে বলে ওই শিশুকন্যা। সে আরও জানায় যে পুরো ঘটনার সময় সেখানে একজন মহিলা কর্মী উপস্থিত ছিল।
এরপরই স্কুল কর্তৃপক্ষ ও থানায় ওই বাসচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায় ওই পড়ুয়ার পরিবার। নির্যাতিতা ওই পড়ুয়া বাসচালককে চিহ্নিত করে। বাসের মধ্যে সিসিটিভি থাকা সত্ত্বেও সেদিনের ঘটনার কোনও ফুটেজ এখনও মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। ওই বাসচালক ও মহিলা কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ভোপালের শাহপুরা এলাকায় অভিযুক্তের বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় মধ্যপ্রদেশ প্রশাসন। সরকারি আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই হাতুড়ি দিয়ে একটি বাড়ি ভাঙতে দেখা যায় এক ব্যক্তিকে। যদিও বাড়ি ভাঙার জন্য অবৈধ নির্মাণের যুক্তি দেওয়া হয়েছে।
তিন বছরের ওই শিশুকন্যাকে ধ’র্ষ’ণের ঘটনায় মধ্যপ্রদেশে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। বিরোধী দলগুলি তোপ দাগতে শুরু করে সরকারকে। এর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই অভিযুক্তের বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে মধ্যপ্রদেশ সরকার।





