দেশজুড়ে মানুষ এখন করোনার আতঙ্কে কাবু। এই সময় সবাই এখন করোনাভাইরাসের ওষুধ চায়। ঠিক এমন চরম মুহূর্তে বাবা রামদেবের পতঞ্জলি সংস্থা এনেছে আয়ুর্বেদ ওষুধ ‘করোনিল’ ও ‘স্বসরি বটি’। তাদের দাবি এই ওষুধ নাকি করোনাকে সারিয়ে দিতে পারবে। এরপরই এক সাংবাদিক বৈঠকে ওই ওষুধের উপাদান এবং এই ওষুধ লঞ্চের পূর্বে যে যাবতীয় গবেষণার কথা বলেছিল পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ লিমিটেড, সেই তথ্য দাবি করেছে কেন্দ্র আয়ুষ মন্ত্রক।
বৈঠকে মন্ত্রক জানিয়েছে, করোনার জন্য যে যে হাসপাতালে গবেষণা চালানো হয়েছে, সেখানে গবেষণার প্রোটোকল, স্যাম্পল সাইজ, ইন্সস্টিটিউশনাল এথিক্স কমিটি ক্লিয়ারেন্স, সিটিআরআই রেজিস্ট্রেশন ও গবেষণার ফলাফলের তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। এছাড়াও নিশ্চিত পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের বিজ্ঞাপন ও প্রচার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
এর পাশাপাশি আয়ুষ মন্ত্রক উত্তরাখণ্ড সরকারের কাছে ‘করোনিল’ উৎপাদনের ছাড়পত্র এবং লাইসেন্স সংক্রান্ত নথিপত্র দেখতে বলেছে। উল্লেখ্য, পতঞ্জলির সদর দফতর হরিদ্বারে, যা উত্তরাখণ্ড সরকারের আওতায় আসে। মন্ত্রক উত্তরাখণ্ড সরকারের ওষুধ লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষকে ওই ওষুধের লাইসেন্সের প্রতিলিপি ও পণ্য সংক্রান্ত ছাড়পত্রের বিস্তারিত জানাতে বলেছে।
ওষুধ লঞ্চ করার দিন পতঞ্জলি দাবি করেছে, ওই ওষুধ ১৪ দিনের মধ্যে করোনা সংক্রমন নিরাময় করতে পারে। আয়ুষ মন্ত্রক তাদের বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে, এই ধরনের বিভ্রান্তিমূলক দাবির বাস্তবতা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিস্তারিত তথ্য মন্ত্রকের জানা নেই।
সারা বিশ্বের সমস্ত বিজ্ঞানীরা এই মারণ ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করতে অবিরাম গবেষণা করে চলেছেন। কিন্তু এখনও কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ আবিষ্কার হয়নি। এক্ষেত্রে একমাত্র গিলেড সায়েন্সেসের ওষুধ ‘রেমডেসিভি’ করোনা আক্রান্তদের সুস্থ হতে কিছুটা সহায়তা করছে বলে দেখা গেছে।






