রক্ষকই যখন ভক্ষক হয়ে ওঠে, সমাজের ঘৃণ্য চিত্রটা সকলের সামনে তখন পরিষ্কার হয়। নিজের ক্লিনিকে ইঞ্জেকশন দিয়ে এক মহিলাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল ওয়াকফ বোর্ডের এক সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে মাহিম এলাকার পুলিশ। নির্যাতিতা অভিযোগ করেছেন যে, ইঞ্জেকশন দিয়ে অচেতন করে তাঁকে ধর্ষণ করেন ডঃ মুদাসসির লম্বে।
প্রাথমিকভাবে তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘদিন তার সঙ্গে সহবাস করেন উক্ত ওয়াকফ বোর্ডের সদস্য। এরপর নির্যাতিতাকে হুমকি দিতে থাকে অভিযুক্ত। অবশেষে সহ্য করতে না পেরে তাঁর উপর হওয়া নির্যাতনের প্রতিবাদ করলেন নির্যাতিতা।
তিনি এও অভিযোগ করেন যে, এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে তাঁর স্বামী তাঁকে ডিভোর্স দেন। গত বছরের অক্টোবর মাস পর্যন্ত সবকিছু মেনে নেন নির্যাতিতা। কিন্তু বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েও পরে আর সে বিষয়ে কোনও আমল দেননি ডঃ মুদাসসির লম্বে। এরপর তাঁকে হুমকি দিতে থাকে ওই চিকিৎসক। এরপর আরমুখ বুজে না থেকে পুলিশের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা মহিলা।
পুলিশকে তিনি জানান, এক অনুষ্ঠানে ডঃ লম্বের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। তিনি পীর মকধুম সাহেব চ্যারিটেবল ট্রাস্টের একজন ট্রাস্টি ও ওয়াকফ বোর্ডের সদস্য। সেই সময় তাঁরা একে অপরের ফোন নম্বর চালাচালি করেন। এরপর গত বছরের জানুয়ারি মাসে শারীরিক অসুস্থতার জন্য মহিলা ওই চিকিৎসকের ক্লিনিকে যান। মহিলার অভিযোগ সেই সময় তাঁকে ইঞ্জেকশন দিয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত চিকিৎসক। পরে তাঁর জ্ঞান ফিরলে, তাঁকে প্রাথমিকভাবে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দেন ওই চিকিৎসক। কিন্তু ক্রমেই বাড়তে থাকে হুমকি দেওয়া। নির্যাতিতা মুখ খুললে, তাঁকে চরম মূল্য চোকাতে হবে বলে হুমকি দেন অভিযুক্ত।
সম্প্রতিই সেই নির্যাতিতার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েচে। এই ভিডিওতে তিনি জানান যে উক্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পুলিশ যদি কোনও পদক্ষেপ না করে, তাহলে তিনি আত্মহত্যা করবেন। অবশেষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।





