বিরোধীদল বলেই সব কথায় বিরোধ প্রকাশ করলে, দেশের মনোবল ভেঙে যাবে, রাজ্যসভায় ডেরেক ও’ব্রায়েনকে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী’র

গতকালই বাংলায় পা রেখে রাজ্য কাঁপিয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তার এই জ্বালাময়ী ভাষণ তাতিয়েছে বিজেপিকে। কালকে হলদিয়ার সভা থেকে নাগাড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। গতকালের সভা থেকেই এই বছরের নির্বাচনী যাত্রা আরম্ভ করলেন তিনি।

হলদিয়ার সভা থেকে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র তৃণমূল সরকারের রাজনৈতিক দূরভিসন্ধির জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি’, ‘আয়ুষ্মান ভারতে’র মতো জনকল্যাণ মূলক প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যবাসী পাননি। এরপরই তিনি ঘোষণা করেন, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই চালু করা হবে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্প। শুধু তাই নয়, তৃণমূল সরকারের বাধার জন্য রাজ্যের লক্ষ লক্ষ কৃষক যে দু’বছরের কিষাণ সম্মান নিধির টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সেটাও দেওয়া হবে রাজ্যবাসীকে।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আজ, লোকসভার পর ফের রাজ্যসভায় রাষ্টপতির ভাষন বয়কট করে বিরোধীরা। সেই নিয়ে আজ বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণ শোনার জন্য সবাই থাকলে ভালো হত। তবে রাষ্ট্রপতির ভাষণ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, বয়কট করলেও বিরোধীদের কানে তা পৌঁছে গিয়েছে। বিরোধীদের পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব জিনিসের বিরোধী করলে দেশের মনোবল ভেঙে যায়।

এরপর‌ই তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকেও আজ একহাত নেন মোদী। বলেন, ‘ডেরেকজির কথা শুনছিলাম। উনি নিজের কথায় বাকস্বাধীনতা আর ভীতিপ্রদর্শনের মতো কঠিন শব্দের ব্যবহার করেছিলেন। আমি ওনার কথা শুনতে শুনতে এটাই ভাবছিলাম যে, উনি কি বাংলার কথা বলছেন? না ভারতের কথা? আসলে উনি এসব ২৪ ঘন্টাই বাংলায় দেখছেন আর শুনছেন। তাই হয়ত উনি এখানে ভুল করে এই কথা বলে ফেলেছেন।”

RELATED Articles