সূত্রের খবর, নিহত মহিলার নাম রাজেশ্বরী। বৃহস্পতিবার ৪ঠা ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ কোরামঙ্গলার বাসিন্দা রাজেশ্বরী তার ভাড়াটিয়া আলেম পাশা এবং তার ভাই জিলান এর কাছ থেকে ভাড়া আদায় করতে পার্বতীপুরে গিয়েছিলেন। গত বছরের মার্চ থেকেই পাশা তার বাড়ি ভাড়া মেটাননি। রাজেশ্বরী যখনই বকেয়া অর্থ চাইতে গেছেন তখনই লকডাউনের কারণে ক্যাটারিং-এর ব্যবসাা বন্ধ হয়ে যাওয়ার করুন কাহিনী শুনিয়েছে।
আর সেই কারণেই রাজেশ্বরী আলম পাশাকে প্রথম তিন মাসের ভাড়া ছাড়ও দেন। কিন্তু তারপরেও বকেয়া মেটায়নি এই দুই ভাই। আর সেই কারণেই সেদিন গিয়ে রাজেশ্বরী তাদের বাড়ি ছাড়তে বলেন।
এতেই মাথায় খুন চড়ে যায় আলম পাশার। রড দিয়ে রাজেশ্বরীর মাথায় ও ঘাড়ে আঘাত করে সে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই মহিলার।
এদিকে রাজেশ্বরী বাড়ি না ফেরায়, উদ্বিগ্ন ছেলে ড. দীপক এম আর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। তিনি আত্মীয় ও পরিবারের অন্যান্য লোকেদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন কিন্তু কোনও খোঁজ পান না মায়ের।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজেশ্বরী বাড়িতে জানিয়ে গিয়েছিলেন, যে তিনি পাশার কাছে বাড়ি ভাড়া আদায় করতে যাচ্ছেন।
ঘটনার দিন রাত ১১ টার দিকে দীপক পাশার বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের খোঁজখবর নেন। কিন্তু অভিযুক্ত পাশা দাবি করেন যে রাজেশ্বরী তার কাছ থেকে ভাড়া আদায় করে বাড়ি চলে গেছেন। পরের দিন সকালে, দীপক ফের তার স্ত্রীকে নিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে যান। পাশার ঘরে ঢুকে দেখতে চান বলে জানান। কিন্তুু তখন অভিযুক্ত দাবি করে তার ঘরের ভেতর ধোঁয়া হয়ে রয়েছে।





