নিজের সীমায় থাকুন! যা বলেছেন তাতে বাংলায় তৃণমূলের থেকে বেশি প্রচার পেয়ে গেছেন, অধীরকে ধমক মোদীর

গতকাল কংগ্রেস নেতা গোলাম নবি আজাদের রাজ্যসভায় শেষ দিনে চোখের জল পড়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। কিন্তু আজকের ছবি আবার‌ও আলাদা। আজ লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী’র বক্তব্যের সময় বিরোধী দলগুলির সাংসদরা হইচই শুরু করে দেন। তাঁরা কৃষি আইনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মাঝে বারবার তাল কাটেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। ‌শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী অধীরকে ধমক দিতে বাধ্য হন। বলেন “নিজের সীমায় থাকুন। এতক্ষণ যা বলেছেন তাতে বাংলায় তৃণমূলের থেকে বেশি প্রচার পেয়ে গেছেন।”

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কংগ্রেস দলে এতটাই বিভেদ, বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যসভা ও লোকসভার সাংসদরা ভিন্ন অবস্থান নেন।’ এরপর প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালীনই বেশ কয়েকজন সাংসদ ওয়াকআউট করেন।

এদিন নিজের সিদ্ধান্তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মোদী স্পষ্ট জানান, ‘ দেশে বেসরকারিকরণেরও সমান গুরুত্ব রয়েছে। দেশের অগ্রগতির জন্য বেসরকারি সংস্থার ওপর ভরসা রাখতেই হবে। যুব সমাজকে যত গুরুত্ব দেব, ততই দেশের লাভ। কৃষক আন্দোলনকে আমি পবিত্র মনে করি। আন্দোলনজীবীরা স্বার্থপর হলে কী হয় দেখেছেন। টোল প্লাজায় ভাঙচুর চালানো কি পবিত্র আন্দোলন? আন্দোলনজীবীদের থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে। পরিকাঠামো ক্ষেত্রে জোর দেওয়া খুবই জরুরি। পরিকাঠামো ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলে দেশের উন্নতি। সব ক্ষেত্রেই উন্নয়নে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

একই সঙ্গে আত্মনির্ভরতায় জোর দিয়ে মোদী বলেন ‘দেশের কৃষকদের আত্মনির্ভর করে তুলতে হবে। কৃষকদের বিশ্বমানের করে তুলতে হবে। পুরনো চিন্তাধারা উপড়ে ফেলতে হবে। এই কারণেই কৃষি পরিকাঠামোয় ১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে’ বলে বিরোধীদের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও অন্যান্য খবর