এবার ভারতের বাজারে আসতে চলেছে মার্কিন সংস্থা ফাইজার তৈরি করোনা প্রতিষেধক।
রানীর দেশে ইতিমধ্যেই আম জনতার জন্য ফাইজারের তৈরি প্রতিষেধককে ছাড়পত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই রাস্তায় হেঁটে অনুমতি দিয়েছে বাহরিনও। আর এবার এই মার্কিন সংস্থার লক্ষ্য ভারতের বাজার।
সংবাদসংস্থা সূত্রের দাবি, ভারতেও নিজেদের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের অনুমতি ইতিমধ্যেই চেয়েছে এই ফাইজার। উল্লেখযোগ্য ভাবে, প্রথম সংস্থা হিসেবে DCGI-এর কাছে করোনা ভ্যাকসিন ব্যবহারের ছাড়পত্র চাইল এই মার্কিন সংস্থা।
ভারতের বাজারে অক্সফোর্ডের কোভিশিল্ড, রাশিয়ার স্পুটনিক ফাইভ, বা ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের ট্রায়াল শুরু হলেও, ফাইজারের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল এখনও পর্যন্ত হয়নি।
তাই গত বুধবার যখন ব্রিটেন এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের ছাড়পত্র দেয় তখনও পর্যন্ত বলা হচ্ছিল ভারতে ফাইজার বানানো প্রতিষেধকের আসার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। কিন্তু শনিবার একপ্রকার সবাইকে চমকে দিয়ে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার কাছে সরাসরি এই ভ্যাকসিনের বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতি চাইল ফাইজার।
নিজেদের আবেদনপত্রে ফাইজার জানিয়েছে,তারা ভারতে এই ভ্যাকসিন আমদানি, বিতরণ এবং বিক্রি করতে চায়। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, ট্রায়াল ছাড়াই যাতে জরুরি ভিত্তিতে এই ভ্যাকসিন বিতরণ শুরু করা যায়, তা নিশ্চিত করুক ভারত সরকার।
কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি মিললেই এখন থেকেই সরাসরি ভারতের বাজারে পাওয়া যাবে এই ভ্যাকসিন।
কিন্তু প্রশ্ন হল, ট্রায়াল’ ছাড়া তা কতোটা নিরাপদ হবে? বা এই ভ্যাকসিন মানব শরীরে কতটা কার্যকর হবে? ফাইজার আগেই দাবি করেছে, তাদের ভ্যাকসিন ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর। শেষ দফা ট্রায়ালের চূড়ান্ত বিশ্লেষণের পর কোম্পানির দাবি ছিল, তাদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। ফাইজারের সেই দাবির উপর ভিত্তি করেই ব্রিটেন এবং বাহরিন সরকার এই ভ্যাকসিনটি বাজারজাত করার অনুমতি দিয়েছে। এখন দেখার ভারত সরকার সে পথে হাঁটে কিনা সেটাই দেখার।





