আফগানিস্তান নিয়ে ভারতের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এ নিয়ে আলোচনার জন্য একটি সর্বদল বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সোমবার একথা জানালেন।
জানা গিয়েছে আগামী ২৬শে আগস্ট অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই সর্বদল বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী। তালিবানরা আফগানভূমি দখলের পর সে দেশে ভারতীয় বিনিয়োগ রক্ষা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত আলোচনার জন্য এই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন- মানবিকতার নজির! পাসপোর্ট নেই, তবুও আফগান শিশুকে কাবুল থেকে ভারতে আনল ভারতীয় বায়ুসেনা
এছাড়াও, আগামীদিনে তালিবানদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কেমন হবে, তা আদৌ কোন খাতে বইবে, সেসব নিয়েও আলোচনা হবে এই বৈঠকে। নানান বিরোধী দলনেতাদের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ, সোমবার একটি টুইট করে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানিয়েছেন, “সংসদে ফ্লোর লিডারদের আফগানিস্তান সম্পর্কে সমস্ত তথ্য দেওয়ার জন্য বিদেশমন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্র প্রহ্লাদ যোশী”।
উল্লেখ্য, কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভারতীয় নাগরিকদের ফেরানোর কাজ করছে কেন্দ্র সরকার। শুধু ভারতীয়ই নয়, আফগান শিখ ও হিন্দুদেরও ফেরাচ্ছে ভারত সরকার। গতকাল ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৭ গ্লোবমাস্টার বিমানে করে কাবুল থেকে ১৬৮ জনকে দিল্লিতে আনা হয়। এদের মধ্যে ১০৭ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।
বলে রাখি, গত ১৭ই আগস্ট মন্ত্রিসভায় একটি জরুরী বৈঠক ডেকে আফগানিস্তান থেকে যত দ্রুত সম্ভব ভারতীয়দের ফেরানোর নির্দেশ দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর তরফে। জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানে পরিকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে ভারত।
এর পাশাপাশি, আশরাফ ঘানি আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সে দেশে ভারতবিরোধী নানান সন্ত্রাসবাদী গতিবিধিও কম ছিল। কিন্তু এখন এই তালিবানদের রাজত্বে ভারতের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী হতে চলেছে, এ নিয়ে বেশ আশঙ্কায় কেন্দ্র। যদিও ভারত সরকার জানিয়েছে যে “আমাদের নীতি, ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ”। এইসব নানান বিষয় নিয়েই বিরোধী দলগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।





