বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির গতকালের বঙ্গ সফর শেষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ড হারবারে যাওয়ার পথে বিজেপির জেপি নাড্ডা-কৈলাস বিজয়বর্গীয়র কনভয়ে হামলা হয়।
কনভয় আমতলা থেকে শিরাকোল পর্যন্ত রাস্তায় দফায় দফায় বাধার মুখে পড়ে কনভয়। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পাথর ছোড়া হয় কৈলাস বিজয়বর্গীয়র গাড়িতে। সরিষার কাছে ভাঙচুর চলে যাত্রীবাসেও। বিজেপি নেতা রাকেশ সিংহের অনুগামীদের মোটরবাইক বাহিনী অবরোধের মধ্যে পড়ে। অভিযোগ, উঠেছে ওই পরিস্থিতিতে রাকেশ সিংহের দলবলের উপর হামলা হয়। আক্রান্ত হয়ে মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ সহ বেশিরভাগ বিজেপি নেতার গাড়ি। ডাক্তারী পরীক্ষায় ধরা পড়েছে এই হামলায় কৈলাস বিজয়বর্গীয়’র হাতের লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেছে।
আর বাংলায় এই রকম আক্রমনাত্মক ঘটনা ঘটে যাবার পর এবার বাংলার শীর্ষ বিজেপি নেতাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কেমন আছেন জে পি নাড্ডা? কেমনই আছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়? ফোন করে জানতে চাইলেন তিনি।
আজ, শুক্রবার সকালের দিকে দিল্লির পিএমও অফিস থেকে এ বিষয়ে কনফার্মেশনও মিলল। তবে ফোনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিজেপি নেতাদের কি কথা হয়েছে তা অবশ্যই জানা যায়নি।
তবে শুধু শীর্ষ নেতা নয় অন্যান্য বঙ্গ নেতা এবং দলীয় কর্মীরা কেমন আছেন সেই খবরও নেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডিজিপি বীরেন্দ্রকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ১৪ই ডিসেম্বর তাঁদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করছে, রাজ্যের নিরাপত্তার দায় মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির। দলগত বা মতাদর্শগত পার্থক্যের জন্য কোনও ভিআইপির নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যাবে না। ইতিমধ্যেই ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই সাতজনই গতকাল হামলার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল সুত্রের খবর। গতকাল রাতভর তল্লাশি চালানো হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের বহু এলাকায়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্য দুষ্কৃতীদের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করার চেষ্টা করছে পুলিশ।





