বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির গতকালের বঙ্গ সফর শেষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বঙ্গ রাজনীতি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ড হারবারে যাওয়ার পথে বিজেপির জেপি নাড্ডা-কৈলাস বিজয়বর্গীয়র কনভয়ে হামলা হয়। আর তারপর থেকেই ভোট-পূর্ববর্তী বাংলায় শুরুতে হয় জোর তরজা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজনীতির ময়দান।
বাংলার বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। রাজ্যের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বাংলার রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট তলব করে কেন্দ্র।
যথাসময়ে উত্তর দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রিপোর্টে উল্লেখ করেন, নাড্ডা-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতাদের উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি রাজ্যের পুলিশ।
আর তারপরই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডিজিপি বীরেন্দ্রকে তলব করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ১৪ই ডিসেম্বর তাঁদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
তবে এবার নাড্ডার কনভয়ে হামলার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তলবের চিঠি পেয়ে পাল্টা চিঠি দিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।
জানা গেছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লাকে লেখা ওই চিঠিতে তিনি দিল্লিতে গিয়ে হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রার্থনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে দেখছে রাজ্য সরকার। নিজের চিঠিতে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রকে জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে দেখছে রাজ্য সরকার। দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। ফলে তাঁকে দিল্লি গিয়ে হাজিরা দেওয়া থেকে অব্যহতি দেওয়া হোক।
সেই সঙ্গে আলাপনবাবু লিখেছেন, বৃহস্পতিবার জেপি নড্ডার কনভয়ে প্রচুর বাইরের গাড়ি ছিল। একজন জেড শ্রেণির নিরাপত্তাধারীর কনভয়ে যা থাকতে পারে না। কনভয়ে থাকা গাড়ি থেকে বাইরে নানা রকম অঙ্গভঙ্গী করা হয় যা থেকে ছড়ায় উত্তেজনা।





