বিভূতির মৃত্যুর পর তাঁর নিথর দেহ বাড়ি ফিরলে কফিনের ঢাকনার ফাঁক দিয়ে উঁকি মারা স্বামীর মুখের দিকে ঠায় চেয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ফৌজি স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধায় কখনও উচ্চস্বরে বেরিয়ে আসছিল ‘জয় হিন্দ’ স্লোগান। টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর ছবি দেখে কেঁদেছিল গোটা দেশ। শেষ বিদায়ে কফিন জড়িয়ে নিহত মেজরের কানের কাছে তাঁকে বলতে শোনা যায় “আই লাভ ইউ বিভূ।” চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছিলেন প্রিয়তমকে l
নীতিকার সঙ্গে বিভূতির পরিচয় এমবিএ করার সময় থেকে। বন্ধুত্ব দিয়ে শুরু তারপর প্রেম এবং পরিনতিতে বিয়ে।
বিভূতির কফিন স্পর্শ করে সেদিনই স্বামীর বন্ধ চোখের দিকে তাকিয়ে নীতিকা মনস্থির করে ফেলেছিলেন সেনার উর্দি গায়ে চাপাবেন। আর এই ভাবেই নিজের মধ্যে স্বামীকে বাঁচিয়ে রাখবেন। প্রাণপ্রিয় বিভূর মৃত্যুশোক চেপে কাজ থেকে ইস্তফা দিয়ে এক মাসের মধ্যেই শুরু করে দেন পরীক্ষার প্রস্তুতি। ২০২০ সালে শর্ট সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) এবং তার পর সার্ভিসেস সিলেকশন বোর্ড ইন্টারভিউ-এ উত্তীর্ণ হন তিনি। ইন্টারভিউতে তাঁকে পরীক্ষকরা প্রশ্ন করেছিলেন, ‘বিয়ের কত দিন হয়েছিল?’ তিনি উত্তর দেন, ‘দু’বছর ৷’ অবাক হয়ে যান পরীক্ষকরা। কারণ এই ঘটনার সময় দুজনের দাম্পত্যের বয়স ছিল নয় মাস। নীতিকা হেসে বলেন, বিভূ শারীরিকভাবে হয়তো আমার সঙ্গে নেই, কিন্তু তার মানে এই নয় আমাদের বিবাহিত জীবন শেষ হয়ে গেছে। তা এখনও চলছে।
অসম্ভব মানসিক শক্তি, বিভূর প্রতি অদম্য ভালোবাসা এবং নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে চেন্নাইয়ের অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমি থেকে প্রশিক্ষণও নেন নীতিকা। আর আজ শনিবার





