কিছুদিন আগে লাদাখে চীন-ভারত সীমান্ত বিবাদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগেছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। যদিও চীনের সঙ্গে ২০০৮ সালে কংগ্রেসের মউ স্বাক্ষরের প্রসঙ্গ সামনে আসতেই রাহুল এখন এই বিষয়ে একটু সামলে খেলছেন। তবে অন্যান্য বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতা করতে যেহেতু বাধা নেই তাই এবার ১০৯ টি রুটের প্যাসেঞ্জার ট্রেনের তথাকথিত ‘বেসরকারিকরণ’ নিয়ে মোদী সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন রাহুল গান্ধী।
তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে এই ধরনের কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ফলাফল খুব একটা ভালো হবে না। কারণ দেশের গরিব মানুষের ‘লাইফলাইন’ হল রেল। সরকার তা কেড়ে নিতে চাইলে মানুষই তাঁদের যোগ্য জবাব দেবে।
रेल ग़रीबों की एकमात्र जीवनरेखा है और सरकार उनसे ये भी छीन रही है।
जो छीनना है, छीनिये। लेकिन याद रहे- देश की जनता इसका करारा जवाब देगी।https://t.co/M6OQZ6xAz5
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) July 2, 2020
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিজেপি সরকার বিকেন্দ্রীকরণের দিকে নজর দিয়েছে। বুধবারই প্রথমবার রেলে বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করা হয়েছে। রেলমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এবার ১০৯ টি রুটে বেসরকারি সংস্থার সাহায্য নিয়ে ১৫১ টি প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালানো হবে। এই ট্রেনগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের ভার এবং রোজগারের নিয়ন্ত্রণ, সবটাই থাকবে বেসরকারি সংস্থার হাতে। সেই উদ্দেশ্যে দ্রুত টেন্ডারও ডাকা হবে। সূত্রের খবর রেল বেসরকারিকরণের মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে।
সরকারের এই বিকেন্দ্রীকরণের সিদ্ধান্তেই রীতিমতো ক্ষুব্ধ রাহুল। সম্প্রতি করোনা এবং লাদাখ ইস্যুতে নিয়মিত সরকারকে দোষারোপ করে যাচ্ছেন রাহুল। টুইটারে তার সক্রিয়তা আগের থেকে অনেক বেশি। তাই রেলের বেসরকারিকরণ ইস্যুতে তিনি যে চুপ করে থাকবেন না একথা জানাই ছিল।





