রাজনীতির ময়দানে আবারও চাঞ্চল্য। কলকাতার প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরে অশান্তি এবং ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। কয়েক দিন ধরে নিখোঁজ থেকে রহস্য আরও গভীর করেছিলেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং। কোথায় তিনি লুকিয়ে ছিলেন, কবে ধরা পড়বেন এই নিয়েই জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।
গত শুক্রবার শুরু হয় পুরো ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে, কংগ্রেস সদর দপ্তরে হামলা চালানো হয়। শুধু তাই নয়, রাহুল গান্ধী-সহ শীর্ষ নেতাদের ছবি ভাঙচুর করা হয় এবং কংগ্রেসের দলীয় পতাকায় আগুন ধরানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং। এরপর থেকেই তাঁর খোঁজে নামে কলকাতা পুলিশ।
ঘটনার পরপরই বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কিন্তু মূল অভিযুক্ত রাকেশ সিং তখনও অধরা। রবিবার রাতে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালালেও তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তদন্তে নেমে পুলিশ রাকেশের ছেলে শিবমকে একাধিকবার জেরা করে এবং পরে তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এতে চাপ আরও বাড়তে থাকে রাকেশের উপর।
আড়ালে থেকে অবশ্য চুপ থাকেননি রাকেশ। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেন। তাঁর হুমকিমূলক বার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ তখন আরও তৎপর হয়ে ওঠে তাঁকে ধরার জন্য।
আরও পড়ুনঃ Primary Recruitment: “যদি ৩২ হাজার অপ্রশিক্ষিত প্রার্থীর চাকরি বাতিল হয়, তাহলে বাকিদের কী হবে?”— আদালতে বিস্ফোরক প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি, প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় নতুন দ্বন্দ্ব!
অবশেষে মঙ্গলবার রাতে ট্যাংরার একটি আবাসন থেকে গ্রেপ্তার হন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং। বুধবার তাঁকে আদালতে পেশ করার কথা রয়েছে। এই ঘটনায় প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি শিবির। অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতৃত্ব দাবি করছে, পরিকল্পিতভাবে তাদের দপ্তরে হামলা চালিয়েছিল বিজেপি। এখন নজর থাকবে আদালতের পরবর্তী নির্দেশের দিকে।





