একদিকে কৃষক আন্দোলনের মাত্রা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে, বেশ কিছুদিন কেটে গেলেও, অনেক প্রতিকূলতা পার করেও তারা এখনও নিজেদের দাবীতে অনড়। এই বিতর্কের মাঝেই কৃষি আন্দোলনকে পরোয়া না করেই কর্ণাটকের স্বাস্থ্য ফারমার্স প্রোডিউসিং সংস্থা একটি চুক্তি সাক্ষর করল রিলায়েন্স গোষ্ঠীর সঙ্গে। জানা গিয়েছে, রাইচুর জেলার এই সংস্থার থেকে ১০০০ কুইন্টাল মাসুড়ি ধান কিনবে রিলায়েস গোষ্ঠী।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্র সরকারের নির্ধারিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামেই ধান কিনবে এই রিলায়েন্স গোষ্ঠী। রাইচুর জেলার ১১১০ জন কৃষক যুক্ত রয়েছেন সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে। রিলায়েন্স গোষ্ঠী ও কৃষকদের মধ্যে মধ্যস্থতা হিসেবে কাজ করবে স্বাস্থ্য ফারমার্স প্রোডিউসিং সংস্থা। জানা গিয়েছে, প্রতি কুইন্টাল ধানের জন্য ১৯৫০ টাকা করে দেবে রিলায়েন্স গোষ্ঠী যা ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের চেয়ে ৮২ টাকা বেশি।
স্বাস্থ্য ফারমার্স প্রোডিউসিং সংস্থা কৃষকদের থেকে ফসল সংগ্রহ করে রিলায়েন্স গোষ্ঠীকে পাঠাবে। এই কারণে তারা প্রতি ১০০ টাকার লেনদেনে কৃষকদের কাছ থেকে ১.৫ টাকা করে কমিশন পাবে। এও জানা গিয়েছে যে, থার্ড পার্টিকে চাল পাঠানো হবে ও তারাই সেই পাঠানো চালের মানের মূল্যায়ন করবে। চালের মান বজায় থাকলে তবেই তা রিলায়েন্স গোষ্ঠীকে প্রদান করা হবে। রিলায়েন্স গোষ্ঠী টাকা প্রদান করবে স্বাস্থ্য ফারমার্স প্রোডিউসিং সংস্থাকে, এরপর এই সংস্থাই প্রত্যেক কৃষককে তাদের প্রাপ্ত অর্থ তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করবে।
প্রসঙ্গত, দিল্লিতে পঞ্জাব, হরিয়ানার প্রায় ৪০টি কৃষক ইউনিয়নের কৃষকরা কেন্দ্র সরকার সংশোধিত নতুন কৃষি আইনের বিরোধিতায় আন্দোলন করছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারবার বলেছেন যে এই নতুন কৃষি আইনের দ্বারা কৃষকেরাই লাভবান হবেন। কিন্তু সবকিছু উপেক্ষা করে এখনও পর্যন্ত নিজেদের দাবী অব্যাহত রেখেছেন আন্দোলনকারী কৃষকেরা।





