নবীন-প্রবীণের অভ‍্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নাজেহাল কংগ্রেস! বিদ্রোহী পাইলটের দাবিকেই দেওয়া হল মান্যতা

রাজস্থান রাজনীতি নিয়ে চরম চাপে কংগ্রেস নেতৃত্ব। এক‌ই সঙ্গে নবীন বনাম প্রবীণ নেতৃত্বের মতপার্থক্য‌ এসেছে প্রকাশ্যে। আবার ঠিক একই সময় নেতৃত্বেও বদল চাইছেন কর্মীরা। এঁরাই ওয়ার্কিং কমিটির (CWC) নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন। সোমবার এমন বোমাই ফাটিয়েছেন বহিষ্কৃত কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় ঝাঁ। এদিকে, আবার আজ‌ই ‘বিদ্রোহী’ নেতা শচীন পাইলটের কথা মেনে রাজস্থানের সাধারণ সচিব পদে পরিবর্তন আনল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাই বর্তমান সময়ে বেহাল অবস্থায় পড়েছে কংগ্রেস।

শচীনের ঘনিষ্ঠ ছিলেন কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় ঝাঁ। জুলাই মাসে তাঁকে বহিষ্কার করে রাজস্থান কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কাজকর্মের অভিযোগ উঠেছিল। এরপর এদিন ফের একবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সঞ্জয়। টুইটারে তিনি লেখেন, “একাধিক বিধায়ক-সহ ১০০ জন কংগ্রেস নেতা দলের কাজকর্মতে বিরক্ত ছিলেন। তঁরা নেতৃত্বে বদল চেয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়েছিলেন। ওয়ার্কিং কমিটির নির্বাচনেও স্বচ্ছতা আনার দাবিও জানিয়েছিলেন।” তাঁর এই টুইট নিয়ে কংগ্রেসের তরফে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। বরং রাতারাতি রাজস্থান কংগ্রেসে এক বিরাট পরিবর্তন ঘটে গেল।

দীর্ঘ বেশ কিছুদিনের টালবাহানার পর ফের রাজস্থানের কংগ্রেস শিবিরে প্রত্যাবর্তন করছেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলট। রাহুল-প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে সাক্ষাতে নিজের একাধিক অভিযোগের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি। এরপরই এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক কে সি ভেণুগোপালের সই করা নির্দেশিকা মেনে রাজস্থান কংগ্রেসের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সচিব অবিনাশ পান্ডেকে সরিয়ে দেওয়া হয় পদ থেকে। তাঁর পরিবর্তে নিয়োগ করা হল প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেনকে। দলের তরফে অবিনাশ পান্ডের প্রশংসা করে বলা হয়েছে, ‘দলের প্রতি শ্রী অবিনাশ পান্ডের অবদানকে কুর্নিশ জানাচ্ছে কংগ্রেস।’

RELATED Articles

Leave a Comment