সিগারেটের প্যাকেটে যেমন সতর্কবার্তা লেখা থাকে, তেমনই ম’দের বোতলেও বিধিসম্মত সতর্কবার্তা লিখতে হবে, এই মর্মে আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন এক আইনজীবী। কিন্তু সেই আর্জি খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। আদালতের তরফে এও জানানো হয় যে “অনেকেই বলে থাকেন যে অল্প পরিমাণ ম’দ্য’পান শরীরের জন্য ভালো”।
ম’দের বোতলে বিধিসম্মত সতর্কবার্তা লেখার আর্জি জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অশ্বিনি কুমার উপাধ্যায় নামের এক বিজেপি নেতা। তিনি দাবী করেছিলেন যে ম’দের উৎপাদন, বিতরণ এবং পান – সব কিছুর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। আর তার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট।
শুধু তাই নয়, সিগারেটের প্যাকেটে যেমন ছবি-সহ সতর্কবার্তা লেখা থাকে, সেভাবেই ম’দের বোতলেও বড় করে যাতে সতর্কবার্তা লেখা হয়। সেই সতর্কবার্তা টিভি, সংবাদপত্র এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও যাতে প্রচার করা হয়, সেই দাবীও তোলেন তিনি। এর ফলে যুব সমাজের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং ম’দ্য’পানের পরিমাণ কিছুটা হলেও কমবে। এ বিষয়ে সামান্য একটু যত্নবান হলেই অনেক বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে বলে দাবী করেন ওই নেতা।
কিন্তু বিজেপি নেতার সেই আর্জি খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট ও বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানায় যে অনেকেই বলে থাকেন যে অল্প পরিমাণ ম’দ্য’পান শরীরের জন্য ভালো। অনেকেই এই ব্যাপারে বিশ্বাসও করেন। কিন্তু সিগারেটের ক্ষেত্রে এই ধরণের কথা বলতে শোনা যায় না। সুপ্রিম কোর্টের মতে, এটি একটি নীতিগত বিষয়। তাই এই ধরণের মামলা গ্রহণ করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয় যে মামলাকারীকে হয় এই মামলা প্রত্যাহার করতে হবে আর তা নাহলে আদালত তা খারিজ করে দেবে।
সুপ্রিম কোর্টের এই রায় শুনে মামলাকারী অশ্বিনী উপাধ্যায় জানান যে তিনি এই মামলাটি আইন কমিশনে সরিয়ে নিয়ে যাবেন। কিন্তু শীর্ষ আদালত সেই অনুমতিও দেয়নি। শেষ পর্যন্ত এই মামলা প্রত্যাহার করতে হয় মামলাকারীকে। বস্তুত, সুপ্রিম কোর্ট ঘুরিয়ে এটাই রায় দেয় যে অল্প ম’দ্য’পান শরীরের জন্য ভালো।





