কেন এফআইআর দায়ের করতে এত দেরি? হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই বা কী করছিল, আর জি কর কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে রাজ্য

আর জি কর কাণ্ডে এবার ব্যাপক প্রশ্নের মুখে রাজ্য। আজ, মঙ্গলবার ধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। এই মামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত। তরুণী চিকিৎসকের দেহ মা-বাবাকে হস্তান্তর করার কয়েক ঘণ্টা পরে কেন এফআইআর দায়ের করা হল, তা জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট।

এদিন শুনানির শুরুতে আর জি করের ঘটনার ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। শুনানির শুরু থেকেই আর জি কর কাণ্ডে একের পর এক কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় রাজ্যকে। তার মধ্যে মূলত কেন এফআইআরে এত দেরি? বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা জানতে চান, কার অভিযোগের ভিত্তিতে এবং কখন প্রথম এফআইআর দায়ের হয়েছিল?

এদিন সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয়, তরুণী চিকিৎসক খুন হলেন রাতে। সকালে দেহ উদ্ধার হল। ময়নাতদন্তের পর মৃতার মা-বাবার হাতে  দেহ হস্তান্তর করা হয় সাড়ে ৮টা নাগাদ। কিন্তু এফআইআর দায়ের হয়েছিল রাত ১১টা ৪৫মিনিটে। তার আগে অধ্যক্ষ ও কলেজ কর্তৃপক্ষ কী করছিলেন? যে সময়ে মৃতার বাবা-মা ছিলেন না, তখন হাসপাতালের দায়িত্ব ছিল এফআইআর দায়ের করা।

প্রধান বিচারপতি এও বলেন, “প্রথমে ঠিক ভাবে এফআইআর করা হয়নি। পুলিশ কী করছিল? একটা হাসপাতালের মধ্যে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল। পুলিশ কি হাসপাতাল ভাঙচুর করার অনুমতি দিচ্ছিল”? এই সময় কার্যত চুপ করেই ছিলেন রাজ্যের আইনজীবী।  

বলে রাখি, সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী ও তেলঙ্গনার এক চিকিৎসক আরজি কর ইস্যুতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছিলেন কয়েকদিন আগে। সেই চিঠিতে আরজি করের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করার আর্জি জানানো হয়। অন্যদিকে তেলঙ্গনার সেকেন্দ্রাবাদের আর্মি কলেজ অব ডেন্টাল সায়েন্সেস-এর চিকিৎসক মনিকা সিংও একটি আবেদনপত্র লেখেন। এরপরই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করে সুপ্রিম কোর্ট।

RELATED Articles