আগেও একবার কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। আর এবার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, সোমবার শুনানি ছিল এই মামলার। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হল না। অভিষেকের আর্জি খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।
এদিন সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী মনু সিংভি। তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে যাতে ইডি বা সিবিআই পদক্ষেপ করতে না পারে, তার জন্য রক্ষাকবচের আর্জি জানান তিনি। এও আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে অভিষেককে পরের বার গ্রেফতার করা হতে পারে। কিন্তু তা সত্ত্বেও মিলল না রক্ষাকবচ। সেই আর্জি খারিজ করে দেয় বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি সঞ্জয় কারোলের বেঞ্চ। আগামী শুক্রবার এই মামলার শুনানি রয়েছে।
এদিন আদালতে আইনজীবী মনু সিংভু বলেন, “সিবিআই কোনও রকম সময় না দিয়েই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করছে”। তিনি বিচারপতিকে এও স্মরণ করিয়ে দেন যে এর আগেরবার অভিষেককে যখন ডাকা হয়েছিল তখন তিনি দার্জিলিংয়ে ছিলেন। তড়িঘড়ি চলে আসতে বাধ্য হন।
আর এবার গত শনিবার অর্থাৎ ২০ মে-ও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। অভিষেককে যখন তলব করা হয়েছে তখন তিনি ‘নবজোয়ার কর্মসূচির’ জন্য বাঁকুড়ায় ছিলেন। সেই কর্মসূচি ফেলেই হাজিরা দেওয়ার জন্য একপ্রকার কলকাতায় ফিরে আসতে হয়।
এদিন তৃণমূল নেতার আইনজীবী এও আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে পরের বার তাঁর মক্কেলকে গ্রেফতার করা হতে পারে। বারবার এভাবে তলব করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরার নামে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে দাবী অভিষেকের আইনজীবীর। এর পাশাপাশি কেন তাঁর মক্কেলকে ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, সেই বিষয়টিও এদিন আদালতে উল্লেখ করেন মনু সিংভি। এর কারণ জানতে চান তিনি।
আগামী শুক্রবার এই মামলার শুনানি রয়েছে। এদিন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি সঞ্জয় কারোলের বেঞ্চের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সকলে সেদিন উপস্থিত থাকেন।





