আজ ১৬ই ডিসেম্বর। আজ ৫০ তম বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে পাকিস্তানের থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনার জয়কে উদযাপন করা হয় আজ।
সেই যুদ্ধের সমাপ্তিতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী একতরফা ও নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে ভারতের কাছে। ১৯৭১ সালের এই দিনেই ভারতের সঙ্গে লড়াইয়ে পরাজিত হয়ে আমির আবদুল্লা নিয়াজির নেতৃত্বে ৯৩,০০০ পাক সেনা ভারতীয় সেনার কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। জন্ম হয় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের।
উল্লেখ্য, ১৯৭১-এর ১৬ই ডিসেম্বর পরাজিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ্ খান নিয়াজি ঢাকার রমনা রেসকোর্সে ৯৩,০০০ সেনাদলের সঙ্গে জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
এরপর থেকেই ভারতে প্রতি বছর আজকের তারিখটি “বিজয় দিবস” হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ইতিহাস জানায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর কখনও এত সেনা এক সঙ্গে আত্মসমর্পণ করেনি।
আজকের এই বিশেষ দিনে National War Memorial-এ মশাল জ্বালিয়ে ৫০ তম বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আজ থেকে শুরু করে বছরভর দেশজুড়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান চলবে। একে বলা হচ্ছে Swarnim Vijay Varsh।
বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠানে ভারতের শহিদ বীর সেনানীদের পুস্প স্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও তিন বাহিনীর প্রধান।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, National War Memorial-এর মশাল থেকে এদিন জ্বালানো হয় আরও ৪টি মশাল। জানানো হয়েছে ওই ৪টি মশালকে নিয়ে যাওয়া হবে দেশের ৪ প্রান্তে। ১৯৭১ সালে যাঁরা পরমবীর চক্র বা মহাবীর চক্র পেয়েছিলেন তাদের গ্রামে যাবে ওই মশাল। বীর সেনানীদের জন্মভূমি থেকে মাটি আনা হবে National War Memorial-এ।