ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড ঘটে গেল উত্তরপ্রদেশে। বাড়ির ভেতর ঢুকে দুই শিশুকে নৃশংসভাবে খু’ন করল দুষ্কৃতী। এই ঘটনার তদন্তে নেমেই তৎপর হয় পুলিশ। বাঁচে নি দুষ্কৃতীও। এনকাউন্টা করে দুষ্কৃতীকে শেষ করল যোগীরাজ্যের পুলিশ। তবে শিশু হত্যার ঘটনায় এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, মঙ্গলবার সন্ধ্যেয় উত্তরপ্রদেশের বদায়ুনের বাবা কলোনিতে। জানা গিয়েছে, এদিন হঠাৎই বিনোধ কুমার সিং নামের এক ব্যক্তির বাড়ি যান বছর ত্রিশের সাজিদ নামের এক ব্যক্তি। সাজিদ বিনোধের পূর্ব পরিচিত। ফলে তাঁর বাড়িতে ঢুকতে বাধা পায় নি সাজিদ। সেই সময় বাড়িতে ছিলেন নে বিনোধ। বাড়িতে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তান। বিনোধের বাড়ি গিয়ে তাঁর স্ত্রীকে চা খাওয়ানোর কথা বলেন সাজিদ।
বিনোধের স্ত্রী চা বানাতে গেলে ঘর থেকে সোজা ছাদে চলে যান সাজিদ সেই সময় ছাদে খেলা করছিল বিনোধের তিন সন্তান আয়ুশ (১১), আহান (৭) ও পীযূষ (৬)। আচমকাই শিশুদের উপর কুড়ুল নিয়ে চড়াও হন সাজিদ। কুড়ুলের কোপ মারেন আয়ুশ ও আহানকে। ধড়-মুণ্ডু আলাদা হয়ে যায় শিশুদের। গুরুতর জখম হয় পীযূষ। এরপরই পালায় অভিযুক্ত।
চা বানিয়ে ঘরে সাজিদকে না পেয়ে ছাদে গিয়ে এমন ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখেন বিনোধের স্ত্রী। চিৎকার করে ওঠেন তিনি। ছুটে আসেন পাড়া-প্রতিবেশীরা। তারাই শিশুদের তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু আয়ুশ ও আহানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। গুরুতর আহত পীযূষ।
এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। সাজিদের সেলুনে আগুন ধরিয়ে দেন উন্মত্ত জনতা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তদন্ত শুরু হয়। কী কারণে এমন ঘটনা, তা জানা যায়নি। তবে পুলিশি এনকাউন্টারে শেষ করা হয়েছে সাজিদকে।
এই ঘটনায় বরৈলির ইন্সপেক্টর জেনারেল রাকেশ কুমার বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পরই অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে। আমরা ধাওয়া করি। অভিযুক্ত গুলি চালালে, পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে অভিযুক্তর। কী কারণে ওই দুই নাবালককে খু’ন করেছে অভিযুক্ত, তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে”।






