হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় মন্দির নির্মাণে ২লক্ষ টাকা অনুদান দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ!

উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় রামের জন্মভূমিতে নির্মাণ হবে রাম মন্দির। হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় মন্দির নির্মাণের ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর তার জন্য লাগবে আমজনতার সাহায্য। বিশেষ করে হিন্দুদের। যার জন্য শুরু হয়ে গেছে অর্থ সংগ্রহ। আর এই শুভ কাজে প্রথম দান করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ট্রাস্টের হাতে তুলে দিয়েছেন পাঁচ লক্ষ টাকা অনুদান। আর এবার রাম মন্দির নির্মাণে ২ লক্ষ টাকা দান করলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ২৭শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই চাঁদা সংগ্রহ অভিযান চলবে। ১০, ১০০ ও ১ হাজার টাকার কুপনে অনুদান সংগ্রহ করা হবে সাধারণ মানুষের থেকে। তবে এই ট্রাস্টে সরকারি কোনও তহবিল থেকে অর্থসাহায্য করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। একইসঙ্গে বিদেশ থেকে কিংবা কর্পোরেট সংস্থার তরফে চাঁদা দিতে চাইলেও তা গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন তাঁরা। অযোধ্যায় এই মন্দির নির্মাণের জন্য সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্পপতিরা পর্যন্ত সহযোগিতা করছেন। হিরে ব্যবসায়ী গোবিন্দভাই ঢোলকিয়া অয্যোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ১১ কোটি টাকা দান করেছেন।‌ গোবিন্দভাই গুজরাটের একজন হিরে মার্চেন্ট। তিনি ডায়মন্ড কোম্পানি শ্রীরামকৃষ্ণ এক্সপোর্টের ফাউন্ডার। হিরে ব্যবসায় এই নাম খুবই পরিচিত। আহমেদাবাদ মিররের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, গোবিন্দভাই অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য গুজরাটে চাঁদা সংগ্রহ করার অভিযান চালাচ্ছেন। এক‌ই সঙ্গে উনি দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবকের সঙ্গে যুক্ত।

পাটনায় এই অনুদান সংগ্রহ অভিযান চাঁদা সংগ্রহের উদ্বোধন করে বিজেপি নেতা সুশীলকুমার মোদী জানিয়েছেন, তাঁর আশা বিহারের প্রতিটি হিন্দু পরিবারই রাম মন্দির নির্মাণে চাঁদা দেবে। অন্য ধর্মের কেউ চাঁদা দিতে চাইলে তা নেওয়া হবে কিনা, সেই প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য,  অন্য ধর্মের কেউ টাকা দিতে চাইলে কোনও আপত্তি নেই। তাঁর কথায়, “কেন নয়? কিন্তু মসজিদ হলে যেমন আশা করা হয়, মুসলিমরাই এগিয়ে আসবে, তেমনই রামের মন্দিরের জন্য হিন্দুদেরই নেতৃত্ব দেওয়া উচিত। তবে বাকি ধর্মের মানুষরাও তাঁদের অনুসরণ করতে পারবেন।”

প্রসঙ্গত, এই বছর ৫ই আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর হাতে রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়। উত্তরপ্রদেশে অকাল দীপাবলির আয়োজন করেন যোগী আদিত্যনাথ। আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয় বিতর্ক। করোনা পরিস্থিতিতে এই সমারোহ কতটা প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন ওঠে রাজনৈতিক মহলে।  

RELATED Articles