প্রত্যেক বছর পুজোর পর থেকে তাপমাত্রা পারদ নামতে শুরু করে। কিন্তু এই বছর শীত একটু তাড়াতাড়িই আসবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। এই বছর নিম্নচাপের কারণে তাপমাত্রা একটু ঊর্ধ্বমুখী থাকলে, আপাতত এই বছরের জন্য বর্ষা বিদায় নিয়েছে দেশ থেকে। ফলে এরপরই জাঁকিয়ে শীত পড়ার পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর।
আগামী ৪৮ ঘণ্টাতেই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে বলে জানা গিয়েছে। রাতের দিকে তাপমাত্রা কমবে বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা। হাড়কাঁপানো শীত না পড়লেও হালকা শীতের আমেজ উপভোগ করা যাবে। ভোরের দিকে ঠাণ্ডা হিমেল হাওয়া বওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলায়।
তবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা বেশ খানিকটা হ্রাস পেয়েছে। নভেম্বরের শুরুতেই দিল্লিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এসে দাঁড়িয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৯শে অক্টোবর দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা গত ২৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৯৩৭ সালের ৩১শে অক্টোবর দিল্লিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড।
দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলির মধ্যে জম্মু-কাশ্মীর, শ্রীনগর প্রায় তাপমাত্রা শূন্য। পাঞ্জাব, লুধিয়ানা, দেরাদুন, পুনেতে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। ইতিমধ্যেই হিমাচল প্রদেশের লাহুল-স্পিটিতে তুষারপাত শুরু হয়ে গিয়েছে। এই কারণে পর্বতমালা ও হিল স্টেশনগুলির সৌন্দর্য অনেকাংশেই বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছেছে মাইনাস শূন্য দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে।





