Pakistani ISI Spy Arrested: ১৫ বছরের কিশোরকে দিয়ে গুপ্তচরবৃত্তি! পাঠানকোটে ISI-এর নোংরা খেলা ফাঁস, আম্বালায় পাক চর ধৃত!

দেশের নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে এবার সামনে এল এক ভয়ংকর বাস্তবতা। সীমান্তের ওপার থেকে সরাসরি অস্ত্র নয়, বরং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভারতের ভিতরে ঢুকে পড়ছে গুপ্তচরবৃত্তির ফাঁদ। সন্দেহের বাইরে থাকা মুখগুলিকেই নিশানা করা হচ্ছে বেশি। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সাধারণ পেশার মানুষ—এই নতুন কৌশল নিয়ে গোয়েন্দা মহলে বাড়ছে উদ্বেগ। সম্প্রতি উত্তর ভারতের দুই রাজ্যে ঘটে যাওয়া দুটি ঘটনার পর সেই আশঙ্কাই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

পঞ্জাবের পাঠানকোটে ধরা পড়েছে এক ১৫ বছর বয়সি নাবালক, যে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ রেখে ভারতের গোপন তথ্য পাচার করছিল। তদন্তে উঠে এসেছে, ওই কিশোরের নাম সঞ্জীব কুমার। ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির সুযোগ নিয়েই তাকে মানসিকভাবে দুর্বল অবস্থায় ফাঁদে ফেলে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা। প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর ধীরে ধীরে তথ্য চাওয়া—এই পথেই তাকে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

পাঠানকোটের এসএসপি দলজিন্দর সিং ধিল্লোঁ জানিয়েছেন, সঞ্জীব সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে একাধিক সংবেদনশীল এলাকার ভিডিও পাঠিয়েছিল। দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আইএসআই ও পাকিস্তানি সামরিক আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। প্রায় এক বছর ধরে এই যোগাযোগ চলছিল। নাবালক হওয়ায় তার ওপর সন্দেহ তুলনামূলক কম পড়েছিল—আর সেটাকেই কাজে লাগিয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা।

একই সঙ্গে হরিয়ানার আম্বালায় ধরা পড়েছে আরেক পাক গুপ্তচর। পেশায় তিনি একজন কন্ট্র্যাক্টর। ধৃতের নাম সুনীল ওরফে সানি। হরিয়ানা পুলিশের ডিএসপি বীরেন্দ্র কুমারের মতে, সুনীল ভারতীয় বায়ুসেনার সংক্রান্ত গোপন তথ্য পাচার করছিল। ২০২০ সাল থেকেই সে বায়ুসেনার মেরামতির কাজে যুক্ত ছিল, যার সুযোগ নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করছিল বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুনঃ Viral video : ‘টিকিট কেটেছেন মানে তো কামরার মধ্যে এটা করতে পারেন না…’— আইনজীবীর ট্রেন কাণ্ডকারখানা ভাইরাল! রাজনৈতিক ষড়য*ন্ত্রের ছায়া?

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এক পাকিস্তানি মহিলা সুনীলের কাছ থেকে নিয়মিত তথ্য চাইত। তার মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সুনীল বিবাহিত এবং দুই সন্তানের বাবা—অর্থাৎ বাইরে থেকে একেবারেই সাধারণ জীবনযাপন করছিল। নাবালক থেকে শুরু করে সংসারী মানুষ—এই দুই ঘটনাই স্পষ্ট করে দিচ্ছে, পাকিস্তান এখন ভারতের ভিতরে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য আরও গভীর ও বিপজ্জনক পথ বেছে নিয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই সতর্কবার্তা এখন আর উপেক্ষা করার নয়।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর