করোনা আবহে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। গত বছর করোনার প্রাদুর্ভাব ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বজুড়ে বন্ধ হয় স্কুলে, কলেজের গেট। পড়াশোনা এখন অনলাইন ভিত্তিক। এর জেরে প্রভাবও পড়েছে স্কুল পড়ুয়াদের উপর।
অনেক রাজ্যেই স্কুল খুললেও তা বেশিদিনের জন্য স্থায়ী হয়নি। করোনার কবলে পড়েছে পড়ুয়ারা। এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা বারবার পিছিয়ে। এমনকি চলতি বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাও বাতিল হয়েছে করোনার হাত ধরে।
তবে এখন রাজ্যে করোনার পরিস্থিতি খানিকটা নিয়ন্ত্রণে। আর স্কুল খোলা না হলে তা বাচ্চাদের ভবিষ্যতের উপর বেশ খারাপ প্রভাবও পড়ছে। এই কারণে আগেই পুজোর পর স্কুল খোলার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারের উপসচিবের তরফে স্কুলশিক্ষা কমিশনারকে প্রশাসনিক বিজ্ঞপ্তি মারফত জানানো হয়েছে যে পুজোর পরই রাজ্যে চালু করা হবে স্কুল। জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৫-১৬ নভেম্বরই স্কুল চালু করা দেওয়া হবে। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। সমস্ত করোনা বিধিনিষেধ মেনেই স্কুল চালু করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।





