মমতার উত্তরবঙ্গে সফরের মধ্যে বড় ভাঙন ঘাসফুল শিবিরে, নিশীথের হাত ধরে একঝাঁক তৃণমূল নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। এর আগেই ফের শুরু হয়েছে দলবদলের খেলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গের সফরের মধ্যেই বড় ভাঙন ঘটে গেল দলের মধ্যে। মমতার কোচবিহারের সভার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক তৃণমূল নেতা যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে।

কারা যোগ দিলেন এদিন পদ্ম শিবিরে?

গতকাল, মঙ্গলবার কোচবিহারের বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরেই একাধিক তৃণমূল নেতা যোগ দেন বিজেপিতে। জনা গিয়েছে, কোচবিহার পৌরসভার ৫, ১৫,১৬,১৯,২০ নম্বর ওয়ার্ডের একাধিক নেতা-কর্মী এদিন যোগ দিয়েছেন। এছাড়াও, কোচবিহারের মধুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও একাধিক পঞ্চায়েত সদস্য এদিন যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে।

কী বক্তব্য নিশীথ প্রামাণিকের?

এদিনের এই যোগদান নিয়ে নিশীথ বলেন, “সোমবার কোচবিহারের মঞ্চ থেকে অনেক আশার আলো এখানকার মানুষকে দেখানো হয়েছে। প্রতিবার এটা হয়। কাজের কাজ যে কিছু হয় না এটা মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাই মধুপুরের এই অঞ্চল যা তৃণমূলের দখলে সেখানকার প্রায় ২৪ জন তৃণমূল কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে”।

এদিন যারা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন মধুপুর অঞ্চলের উপপ্রধান তথা অঞ্চলের তৃণমূলের চেয়ারম্যান যোগেশচন্দ্র বর্মণ। এছাড়াও, এদিন গেরুয়া শিবিরের হাত ধরলেন সাধারণ সম্পাদক দীপক রায়, গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য দীপ্তি রায়, মধুপুর অঞ্চলের তৃণমূলের সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও একাধিক তৃণমূল কর্মী সমর্থক। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এভাবে ঘাসফুল শিবিরে ভাঙন ধরিয়ে বিজেপিতে যোগদান যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

দলবদল করা নেতাদের কী মত?

এদিন দলবদল করে যোগেশ বর্মণ বললেন, “প্রথম থেকে দল করেছি নিষ্ঠার সঙ্গে। তবে কাউকে দোষারোপ করে দল ছাড়িনি। এতদিন আমি একটি রাজ্যের দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। তবে বিজেপি গোটা দেশকে শাসন করছে। তাই আমার ইচ্ছা এই দলের সদস্য হয়ে মানুষের কাজ করি”।

RELATED Articles