যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গেরুয়া সম্মান যাত্রাকে ঘিরে নতুন করে সরগরম রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে গোলপার্ক থেকে যাদবপুর পর্যন্ত এই মিছিল হয়। মিছিলে সাধু-সন্তদেরও দেখা যায়। এই কর্মসূচি নিয়ে এ বার সরব হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
শ্রীলেখার অভিযোগ, টলিউডে প্রতিবাদের ক্ষেত্রেও যেন বেছে নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, যে শিল্পীরা বিভিন্ন সময়ে নিজেদের ‘বিদ্রোহী’ বা প্রতিবাদী হিসেবে তুলে ধরেন, তাঁরা এই ঘটনা নিয়ে কেন নীরব? যাদবপুরের সামনে এমন একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে তাঁদের অবস্থান কোথায়, সেই প্রশ্নই তুলেছেন অভিনেত্রী।
অভিনেত্রীর বক্তব্যের মূল নিশানা অবশ্য শুধু এই মিছিল নয়, টলিউডের একাংশের প্রতিবাদের ধরন। কোনও একটি রাজনৈতিক পক্ষের বিরুদ্ধে সরব হলেও অন্য পক্ষের ঘটনায় অনেকেই চুপ করে থাকেন বলে তাঁর দাবি। এই ‘নির্বাচিত প্রতিবাদ’ নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন তুলে আসছেন শ্রীলেখা।
এ দিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে বেশ কিছু দিন ধরেই রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছে। এর আগে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও এবিভিপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। সেই আবহেই বুধবার গেরুয়া সম্মান যাত্রার আয়োজন করা হয়। মিছিলে গেরুয়া পোশাকে শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা যায়, সঙ্গে ছিলেন বহু সাধু-সন্ত।
আরও পড়ুনঃ “মা*সিক হওয়া কোনও লজ্জার বিষয় নয়, সব মেয়েদেরই হয়… আমি আমার মেয়েকে দারুন মানুষ করেছি!” তনুশ্রীর পাশে দাঁড়িয়ে জয়িতাকে বিঁধলেন ‘বিগ বস বাংলা’র দর্শক, ‘মেয়ে হয়ে সিমপ্যাথি গেম নয়, নিজের কথা বলতে হয়!’
শ্রীলেখার মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিনেত্রীর বক্তব্য, প্রতিবাদ যদি সত্যিই নীতির জায়গা থেকে হয়, তা হলে তা কোনও নির্দিষ্ট পক্ষকে দেখে বদলে যাওয়া উচিত নয়। তাঁর এই মন্তব্যে টলিউডের ‘বিদ্রোহী’দের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।






