দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas ) নরেন্দ্রপুরে (Narendrapur)ফের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ উঠেছে। সোনারপুর রাজপুর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জিত মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এক ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা চালিয়ে দেড় লক্ষ টাকা লুঠ করেছেন এবং ব্যবসায়ীর নাবালক ছেলেকে মারধর করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে নরেন্দ্রপুর স্টেশন রোডে, যেখানে সুব্রত সরকার নামে এক ব্যবসায়ীর দোকানে কাউন্সিলর রঞ্জিত মণ্ডল ও তাঁর সঙ্গীরা হামলা চালান। সুব্রতবাবু দোকানে না থাকায়, তাঁর নাবালক ছেলে তন্ময় সরকারের ওপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দোকানের ক্যাশ বক্সে থাকা দেড় লক্ষ টাকা লুঠ করা হয় এবং জোর করে দোকানে তালা লাগিয়ে চাবি নিয়ে যাওয়া হয়।
সুব্রত সরকারের দাবি, জমি-জায়গা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি জানান, এর আগেও তাঁকে মারধরের চেষ্টা করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর, আতঙ্কে তাঁর পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে, কাউন্সিলর রঞ্জিত মণ্ডল তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এই ঘটনার পর আতঙ্ক ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে বাগুইআটিতে তৃণমূলের আরেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে প্রোমোটারকে মারধর ও তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। বিধাননগর কর্পোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে ৫০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং প্রোমোটার কিশোর হালদারকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে সমরেশ চক্রবর্তী পলাতক এবং পুলিশ তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।
আরও পড়ুন: শেষ হল এক যুগের অধ্যায়! প্রয়াত জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক রাজা মিত্র
এই ধরনের পরপর ঘটনার ফলে তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!