একসঙ্গেই ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না শৌর্য আর রাইকে, অনির্বাণের মনে জাগছে সংশয়, শৌর্যই কোনও ছক কষছে কী? জমজমাট পর্ব মিঠিঝোরায়

Today’s Episode of Mithijhora: জি বাংলার মিঠিঝোরা (Today’s Episode of Mithijhora) ধারাবাহিকটি প্রথম থেকেই বেশ জনপ্রিয়। রাই, নীলু আর স্রোতের জীবনের নানা ওঠাপড়া নিয়ে এগোচ্ছে ধারাবাহিকের গল্প। জীবনের নানা টানাপড়েন ওঠা নামা সবটা নিয়েই পারিবারিক এই গল্প। এই সপ্তাহের শুরু থেকে মিঠিঝোরা ধারাবাহিক দেখা যাচ্ছে রাত ৯:৪৫ থেকে।৩০ মিনিটের বদলে ৪৫ মিনিটের সম্প্রচার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি, অনির্বাণ ও রাইয়ের সম্পর্কের মধুর দিক দেখা যাচ্ছে ধারাবাহিকে (Mithijhora)। বাড়িতে অনির্বাণ রাইকে মিস করতে থাকে। এদিকে অনির্বাণের মা-বাবা ব্যাপারটি শুনে একদমই ভালোভাবে নেয়নি। বিয়ে নিয়ে কোন বাধা অনির্বাণ চায় না। এদিকে রাই তার কলেজের বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছে। শহর থেকে বহু দূরে। এদিকে স্রোত স্বার্থকের বাবাকে দেখতে আসে। স্রোত দেখতে পায় বাড়ির পরিচারিকা স্বার্থকের বাবাকে ভুল ওষুধ খাইয়ে ফেলছেন। স্বার্থকও তার বাবার ঘরে চলে আসে। এত বড় ভুল হচ্ছে দেখে স্বার্থক চেঁচিয়ে ফেলে বাড়ির পরিচারিকা, পিসিমনি এমনকি স্রোতের উপরেও। স্রোতের উপর কথা বলাতেই রেগে যায় স্বার্থকের বাবা (Today’s Episode of Mithijhora)

মিঠিঝোরা (Mithijhora) ধারাবাহিকে আগামী পর্বে দেখা যাচ্ছে (Today’s Episode of Mithijhora), স্বার্থক ও তার বাবার মধ্যে ঝামেলা হয়। অসুস্থ অবস্থাতেই স্বার্থকের বাবা স্বার্থকের সম্বন্ধে কথা বলতে থাকে। বিগত কুড়ি বছর ধরে ছেলে কিভাবে বাবাকে দূরে সরিয়ে রেখেছে একটি মিথ্যের ওপর আশ্রয় করে সে কথা উঠে আসে। অসুস্থ মানুষটিকে চুপ করাতে পারে না কেউই। কথা কাটাকাটি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে সকলকে ঘর থেকে বাইরে বার করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় স্বার্থকের বাবা। সকলের হাঁক ডাক উপেক্ষা করে ঘরের ভেতরে প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তিনি। বাইরে থেকে পিসিমণি স্রোত ডেকে চলেছে স্বার্থকের বাবাকে। দরজা খোলার কোন নাম নেই (Today’s Episode of Mithijhora)। ‌

এদিকে বাবার সাথে কথা কাটাকাটি করে নিজের মনেই অনুতপ্ত হচ্ছে স্বার্থক। নিজের ঘরে গিয়ে সে ভুল স্বীকার করছে যে বাবার সাথে আর কখনো এমনটা করবে না বাবা ছাড়া তার যে আর কেউ নেই। এসবের মাঝেই স্বার্থকের ঘরেই এসে পৌঁছে স্রোত। স্রোত এসে স্বার্থক স্যারকে নানান কটু কথা বলে যে কেন বাবা অসুস্থ অবস্থায় ঘরে দরজা বন্ধ করেছে দেখেও সেখানে রয়েছে (Today’s Episode of Mithijhora)। অনুতপ্ত স্বার্থক ছুটে যায় বাবার দরজার সামনে। সকলের সামনেই দরজার বাইরে থেকে ক্ষমা চায় কাঁদতে থাকে বাবার জন্য। সার্থক বলেছে যে তার মা যাওয়ার পর বাবা ছাড়া আর কেউ নেই বাবা যেন তার ওপর আর রাগ করে না থাকেন দরজা খুলে দেন। ছেলের কথাতে মন গলেছে বাবার দরজা খুলে বেরিয়ে আসা স্বার্থকের বাবা। তারপর ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে। বাবাকে জড়িয়ে ধরে স্বার্থক কান্নায় ভেঙে পড়ে।

এদিকে রাইকে‌ নিয়ে বিভোর অনির্বাণ। রাই ঘুরতে যাওয়ার পর থেকে আর কথা হয়নি তেমনভাবে। শৌর্য দাদাকে বিয়ের শপিং এর জন্য ফোন করে। শৌর্যর শপিংয়ে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে দেয় অনির্বাণ। এদিকে অনির্বাণের মা শৌর্যর মায়ের অর্থাৎ কাকিমার ফোন নাম্বার চায় অনির্বাণের থেকে। শৌর্যকে ফোন করে সেই নাম্বার খুঁজতে গেলে শৌর্যর ফোনও নট রিচেবেল পায়। তারপরেই শৌর্যর দাদাকে ফোন করে জানতে পারে শৌর্য এমন কোথাও ঘুরতে গেছে যেখানে তার টাওয়ার পাওয়া যাবে না, আজ রাতে সে ফিরবে না (Today’s Episode of Mithijhora)

হঠাৎই অনির্বাণের মনে প্রশ্ন দানা বাঁধে যে তবে কি রাই-শৌর্য একসাথে কোথাও ঘুরতে গেছে। তবে নিমেষেই সেই ভ্রান্তি নিজের মন থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তবে রাইয়ের প্রতি চিন্তা কুরে কুরে খাচ্ছে অনির্বাণকে। বিয়ের আগে এক মুহূর্ত কথা না বলে কাটছে না। এই ধারাবাহিকে সামনে আসতে চলেছে রাই অনির্বাণের বিয়ের ধামাকাদার পর্ব। কি হতে চলেছে বিয়ের পর্বে জানতে হলে দেখতে হবে মিঠিঝোরা ধারাবাহিকটি (Today’s Episode of Mithijhora)

RELATED Articles