বিজেপি – পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র গঙ্গারামপুর। ইটের ঘায়ে আহত পুলিশ কর্মী৷

রাজ্যে বিজেপির বিজয় মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে শাসক দল। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা গায়ে মাখছেনা বিজেপি৷ তাই বিজয় মিছিলের নাম পরিবর্তন করে তা অভিনন্দন যাত্রা নাম দিয়ে চলছে বিভিন্ন স্থানে বিজেপির মিছিল৷ আর সেই মিছিল ঘিরেই এদিন রণক্ষেত্র হয়ে উঠলো দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর।

এবারের লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট লোকসভায় জয় পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তাই আজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে বুনিয়াদপুর, কুশমন্ডি এবং গঙ্গারামপুরে অভিনন্দন যাত্রা শুরু করে বিজেপি। আর সেই মিছিল পুলিশ আটকাতে গেলেই বাঁধে বিপত্তি৷

 

প্রথমে বুনিয়াদপুরে সভা করেন দিলীপ বাবু। এরপর সেখান থেকে তিনি বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে এগিয়ে যান বুনিয়াদপুরের বাসস্ট্যান্ডের দিকে৷ সঙ্গে ছিলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও। মিছিল শুরু করতেই সেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর যে, এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তারা মিছিল আটকে দেয়৷ নির্দেশের কাগজও দেখানো হয় দিলীপ ঘোষকে৷ কিন্তু তা না মেনেই বিজেপি নেতা মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান বলে অভিযোগ৷

এরপর বাস স্ট্যান্ড থেকে মিছিল পার্টি অফিসের দিকে এগোতেই বাঁধে গন্ডোগোল। ফের মিছিলে বাঁধা দেয় পুলিশ বাহিনী। ফলস্বরূপ পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয় বিজেপি কর্মীদের৷ অভিযোগ, এরপরই পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ইট ছুড়তে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। তাতে একজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এরপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ এমনকি শূন্যে ছোড়া হয় গুলিও৷

দিলীপ ঘোষ এই ঘটনায় তোপ দেগেছেন শাসক দলকেই। তাঁরা বক্তব্য, বিজেপিকে ভয় পেয়েই বিজেপিকে বিজয় মিছিল করতে দিচ্ছেনা তৃণমূল। স্বৈরাচারী শাসন চলছে এই রাজ্যে৷ তবে মিছিল আটকালে বিজেপির তরফে তার প্রতিবাদ করা হবেই বলে আরও জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

আরও অন্যান্য খবর