তৃণমূলের অস্তিত্ব রক্ষা নিয়ে এখন খুব চিন্তায় পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ভোট যতই এগোচ্ছে ভাঙন ততই বাড়ছে।
শাসকদলের সাধারণ সভায় অনুপস্থিত থেকে এবার তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়ালো পুরুলিয়ার চার বিধায়ক। এঁদের গরহাজিরাতেই এবার গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাঙামাটির রাজনীতিতে।
যদিও চারজনই নানাকাজে ব্যস্ত থাকায় সভায় আসতে পারেননি বলে জানিয়েছেন। তবুও হঠাৎ করে একসঙ্গে চার জনের না আসা জল্পনা বাড়াচ্ছে।
প্রসঙ্গত এখন লাল মাটির দেশ পুরুলিয়ায় তৃণমূলের ‘গাঁয়ে চলো’ অভিযান শুরু হচ্ছে। চলবে আগামী বিধানসভা ভোট পর্যন্ত।
গতকালই তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়। তৃণমূলের সাধারণ সভা থেকে দলীয় নেতৃত্ব এই কথা জানায়। আর সেখানেই উদ্বেগ বাড়িয়ে অনুপস্থিত ছিলেন রঘুনাথপুর বিধায়ক পূর্ণচন্দ্র বাউরি, পাড়ার বিধায়ক উমাপদ বাউরি, কাশিপুরের বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া ও বান্দোয়ানের বিধায়ক রাজীবলোচন সরেন।
আর গরহাজিরার পর থেকেই জেলা রাজনীতি উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে।
পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই চার বিধায়ক অনুপস্থিত থাকায় শুধু দলের অভ্যন্তরে নয় জেলার রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে। তবে বান্দোয়ানের বিধায়ক রাজীব লোচন সোরেন বলেন, “একটি প্রশাসনিক কাজে আমি কলকাতায় এসেছি। জেলা সভাপতিকে আগেভাগেই তা জানিয়েছি।” কাশিপুরের বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া পুরুলিয়া শহরে থাকলেও বৈঠকে যাননি। তাঁর কথায়,”বহুদিন আমার পুরুলিয়া যাওয়া হয়নি। তাই অনেকগুলো কাজ বাকি পড়েছিল। এদিন আমি জেলাশাসক ও জেলা পরিষদ কার্যালয়ে সেই কাজগুলো করেছি।” পাড়ার বিধায়ক উমাপদ বাউরি বলেন, “স্থানীয়স্তরে একটি বৈঠক থাকার কারণে তিনি সাধারণ সভায় যেতে পারেননি।” রঘুনাথপুর বিধায়ক পূর্ণচন্দ্র বাউরি জানান, “আমার দলের এক কর্মী মারা গিয়েছেন। তাই সেই কাজে ব্যস্ত ছিলাম। আমার মত ওই এলাকার অনেক কর্মী এদিন ওই বৈঠকে যেতে পারেননি। জেলা সভাপতিকে তা জানিয়েছি।” জেলা সভাপতি গুরুপদ টুডু বলেন, “ওই চার বিধায়কই আমাকে আগে জানিয়েছেন তাঁরা সাধারণ সভায় আসতে পারবেন না। ফলে কোথাও কোন জল্পনা নেই l”





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!