তৃণমূলের রাজভবন কর্মসূচি ঘটনা এবার কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত গেল। রাজভবন চত্বরের চারিদিকে ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ধর্নায় বসল তৃণমূল, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী সূর্যনীল দাস। শীঘ্রই শুনানি রয়েছে এই মামলার।
কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলনের পরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে রাজভবনে অভিযান করা হবে। সেই অনুযায়ী গত ৫ অক্টোবর রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার জন্য রাজভবন অভিযান করে তৃণমূল। কিন্তু সেই সময় রাজ্যপাল উত্তরবঙ্গে থাকায় দেখা হয়নি।
ফলে রাজভবনের সামনেই ধর্নায় বসেন অভিষেক। তাঁর দাবী ছিল, রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা না করে তিনি ধর্না মঞ্চ ছাড়বেন না। ৫ অক্টোবর থেকেই রাজভবনের সামনে চলছে ধর্না। তবে রাজভবনের সামনে ১৪৪ ধারা বজায় থাকার কথা। সেই নিয়ে শুররু হয় বিতর্ক
অভিষেক যেদিন ধর্নায় বসেন, সেদিনই সেই ধর্না নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। টুইট করে তিনি বলেছিলেন, “রাজভবনের ১৫০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকার কথা। কিন্তু তৃণমূলের প্রতিনিধিরা শুধু যে মিছিল করে রাজভবন পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে তাই নয়, সেখানে ধর্নাও করছে”।
গতকাল, রবিবার কলকাতায় ফেরেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। কলকাতায় ফিরে শুভেন্দুর সেই মন্তব্যই শোনা গিয়েছিল রাজ্যপালের মুখেও। এই প্রসঙ্গ নিয়েই মুখ্যসচিবকে দুটি কড়া চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রাজভবনের তরফে। কীভাবে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে ধর্নায় বসলেন অভিষেক, সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হয় ওই চিঠিতে।
এবার সেই ঘটনাই উঠল কলকাতা হাইকোর্টে। ১৪৪ ধারা বজায় থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ধর্না সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হল। মামলা দায়েরের পরই হবে শুনানি।





