সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেছেন যে তিনি নাকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুন করতে চান। এমন অভিযোগই দায়ের করা হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঠিক কী ঘটেছিল?
জানা গিয়েছে, আজ, শুক্রবার লালবাজার সাইবার সেলের দ্বারস্থ হন এক যুবক। নাম তমাল দত্ত। তিনি নিজে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরই অধ্যাপক অরিন্দম ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন তিনি।
আরও পড়ুন- পুজোর আগেই ঘর ওয়াপসি, ফের তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন রাজীব-সহ নানান দলত্যাগীরা
তিনি অভিযোগ করেন, গত ২৬শে আগস্ট অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ফেসবুক ঘাঁটতে ঘাঁটতে তিনি একটি পোস্ট দেখতে পান। তাতে ওই অধ্যাপক অরিন্দম ভট্টাচার্য কমেন্ট করেছিলেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক।
তমালের কথায়, ওই পোস্টের কমেন্টে উক্ত অধ্যাপক নাকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আর সেই কমেন্টের পরিপ্রেক্ষিতেই তমাল পুলিশের দ্বারস্থ হন বলে জানান।
অভিযোগকারীর কথায়, পোস্টে ওই কমেন্ট দেখার পর তাঁর মনে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর প্রাণের সংশয় রয়েছে। এই কারণেই তিনি পুলিশে অভিযোগ জানাতে এসেছেন। প্রমাণ হিসেবে অরিন্দম ভট্টাচার্যের ওই কমেন্টের স্ক্রিন শটও পেশ করেছেন তিনি। অভিযুক্তের শাস্তির দাবী করেছেন তমাল। এই নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এই ঘটনাই মনে করিয়ে দেয় ২০১২ সালে ঘটা অন্য একটি ঘটনার। যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্টুন আঁকা ও তা সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার জেরে মুখ্যমন্ত্রীর চরম রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রকে। পুলিশ গ্রেফতারি থেকে শুরু করে জেলের মুখ দেখতে হয় তাঁকে। সেই মামলা এখনও চলছে। আর এবার হয়ত পালা অরিন্দম ভট্টাচার্যের। এবারও হয়ত এক অধ্যাপককে মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে পড়তে হবে।





