মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড, সন্দেহের বশে গুলি করে খু’ন একজনকে, ভোজালির কোপে জখম ৫

মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বেঁধে গেল ধুন্ধুমার কাণ্ড। গুলি ও ভোজালির আঘাতে মৃত্যু হল একজন। একই পক্ষের আরও পাঁচজন জখম এই ঘটনায়। এদের মধ্যে জাহিদুল ইসলামের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। ঘটনাটি ঘটেছে আজ, সোমবার ভোরে মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া খয়রামারি চাইপাড়া গ্রামে।

জানা গিয়েছে, মৃত ওই ব্যক্তির নাম ছুন্যত মণ্ডল। গুরুতর জখম হয়ে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি জাহিদুল ইসলাম। এরা দুজন সম্পর্কে ভাই। ঘটনার সূত্রপাত খয়রামারি বিলে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে।

ঘটনা সম্পর্কে মৃতের ভাই আহাদুল শেখ বলেন, “রবিবার রাতে আমার ভাইপো মুরসালিম মণ্ডল খয়রামারি বিলে মাছ ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। তখন প্রায় রাত এগারোটা। মাত্র দু’টো মাছ পেয়েছিলেন। আর ওই বিলের ধারেই সফিক, সামেদ, আবুলদের দখলে পুকুর আছে। তাঁদের অভিযোগ, মুরসালিম অন্যের দখলের পুকুর থেকে মাছ ধরেছে। তা নিয়ে দু’পক্ষের বচসা হয়। একরক মারধরও করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা গণ্ডগোল মেটান। এরপর নমাজ পড়ে ফেরার পথে ফের অশান্তি বাঁধে”।

জানা গিয়েছে, প্রথমে গুলি করা হয়। সেই গুলি লাগে ছুন্যত মণ্ডলের বুকে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে ধরতে গেলে জাহিদুলকে ভোজালির কোপ মারা হয়। এভাবেই জখম হন পাঁচজন। গণ্ডগোলের আভাস পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। কিন্তু অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে দাবী। স্থানীয়রাই জখমদের উদ্ধার করেন।  

তাদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় ডোমকল মহকুমা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। সেখানে ছুন্যত মণ্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। জাহিদুল ইসলামকে দ্রুত মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। জাহিদুলের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সফিকুল ইসলাম, সামাদ সেখ, আবুল সেখ, মাফিকুল ইসলামরাপলাতক। তাদের খোঁজে জোর তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

RELATED Articles