বাড়ির রঙ সবুজ করিয়েছিলেন বাবা। কিন্তু সেই রঙ পছন্দ হয়নি মেয়ের। রঙ পালটাতেই হবে, নাছোড়বান্দা মেয়ে। মেয়ের সেই বায়না না মিটিয়ে বকাবকি করেন মা-বাবা। আর তার জেরেই চরম পদক্ষেপ নিয়ে বসল দশম শ্রেণীর ছাত্রী। আত্মহত্যার পথই বেছে নিল সে।
ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার অন্তর্গত বাঁধমুরা গ্রামে। জানা গিয়েছে, ছাত্রীর বয়স ১৫ বছর। কাটোয়া মহকুমার পঞ্চাননতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি নতুন বাড়ি তৈরি করেছিলেন মৃত ছাত্রীর বাবা। বাড়িতে সবুজ রঙ করিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মেয়ের সেই রঙ পছন্দ হয়নি। বাড়ির রঙ বদলে পিঙ্ক করার আবদার জানায় সে। তার সেই আবদার ধীরে ধীরে জেদে পরিণত হতে থাকে। এই কারণে মেয়েকে বকাবকি করেন মা-বাবা।
আর এরপরই গত মঙ্গলবার দুপুরে কীটনাশক খায় ওই ছাত্রী। বিকেল থেকেই বারবার বমি করতে থাকে সে। ক্রমেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। মা-বাবাকে জানায় যে সে কীটনাশক খেয়েছে।
এরপর তড়িঘড়ি মেয়েকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে ছোটেন মা-বাবা। হাসপাতালে ভর্তিও করা হয়। কিন্তু চিকিৎসা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় ওই ছাত্রীর। গতকাল, বুধবার মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে কাটোয়া থানার পুলিশ।





