Abhijit Ganguly Took a Huge Step for Tamluk: একটা সময় বিচারপতি ছিলেন তিনি। সেই সময় কোর্টের মধ্যেই নানা মানুষ তাঁর কাছে নানান সমস্যার কথা জানাতেন। তিনিও যথাসাধ্য চেষ্টা করতেন সেই সমস্যার সমাধানের। তবে এখন আর সমস্যা জানানোর জন্য কোর্টে যেতে হয় না সাধারণ মানুষকে। কারণ যার কাছে সমস্যা জানাবেন তিনি এখন জনপ্রতিনিধি। তিনিই পৌঁছে যান জনগণের কাছে তাদের সমস্যার কথা জানতে। এবার সমস্যার বিষয়ে জেনে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এক বড় পদক্ষেপ করলেন তমলুকের নবনির্বাচিত সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly Took a Huge Step for Tamluk)।
বিচারব্যবস্থাকে বিদায় জানিয়ে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন বিজেপির টিকিটে। তমলুকবাসী ভরসা রেখেছে তাঁর উপর। সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। আর সাংসদ হয়েই এবার এলাকার নানান সমস্যার সমাধানে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly Took a Huge Step for Tamluk)।
গতকাল, শনিবার তমলুকে রাজ্য সরকারের তৈরি করা তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মেডিক্যাল কলেজের পরিকাঠামো, চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি (Abhijit Ganguly Took a Huge Step for Tamluk)। আর এরপরই এক সিদ্ধান্ত নেন নবনির্বাচিত সাংসদ।
এদিন বিজেপি সাংসদ বলেন, “এখানে শুনলাম ৩০০টা বেড। কিন্তু ৬০০-র উপর রোগী আসেন। ফলে বাকি ৩০০ জনকে মাটিতে থাকতে হয়। মেঝেতে, স্ট্রেচারে শুয়ে থাকতে হয়। এটা তো কাম্য নয়। সেই জন্য আজ আলোচনা করলাম। ওনাদের কাছ থেকে নোট নিলাম। নতুন হাসপাতাল বিল্ডিং খুব তাড়াতাড়ি তৈরি করা দরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই সপ্তাহেই কথা বলব। আমি তাঁকে অনুরোধ করব রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে। টাকার যা প্রয়োজন, তা যাতে পাওয়া যায়” (Abhijit Ganguly Took a Huge Step for Tamluk)।
এদিন তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ শর্মিলা মল্লিকের থেকে পরিকাঠামোগত বিষয়ে খোঁজ নেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly Took a Huge Step for Tamluk)। এই বিষয়ে শর্মিলা মল্লিক বলেন, “প্রথম উনি ভিজিট করলেন। খুব ভাল কথাবার্তা হল। আমাদের ভাল একটা ইন্ডোর হাসপাতাল ভবন দরকার। উনি প্রতিশ্রুতি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলবেন। যদিও অর্থ বরাদ্দ করানো যায়। তাহলে একটা হাসপাতাল বিল্ডিং পেতে পারি। খুব দরকার আমাদের এটা”।
প্রসঙ্গত, এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও তমলুকবাসীদের অন্য এক বড় সমস্যার সমাধান করার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই ট্রেন পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ ছিল তমলুকবাসীদের। তাদের অভিযোগ ছিল, দক্ষিণ-পূর্ব শাখায় ট্রেন চলাচলে খুব ভোগান্তি হয়। নির্দিষ্ট সময় মেনে চলাচল করে না ট্রেন। আর এর জেরে দুর্ভোগ বাড়ে যাত্রীদের। বিশেষ করে স্কুল, কলেজ যাত্রী থেকে শুরু করে অফিসযাত্রীদের ট্রেনের জন্য হয়রানির হয়।
এই সমস্যার কথা শুনে এই নিয়ে জিএম-এর সঙ্গে আলোচনা করেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। জানা যায়, জিএম তাঁকে আশ্বাস দেন যে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে।






