ভোট প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূল বিধায়ককে তিহাড়ে পাঠানোর হুঁশিয়ারি বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের, পাল্টা ধুয়ে দিল তৃণমূল

বর্তমানে যা পরিস্থিতি তাতে প্রাকৃতিক উত্তাপের সঙ্গে সঙ্গে ভোটের জন্যও চড়ছে পারদ। নানান রাজনৈতিক দলের নেতারাই একে অপরকে কোনওভাবেই শানাতে ছাড়ছেন না। ধমকানি, চমকানি সবই চলছে। কেউ কাউকে একচুলও জমি ছেড়ে দিতে নারাজ। রাজনৈতিক ময়দানে পা রেখেই বেশ আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতেই দেখা গিয়েছে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Abhijit Ganguly)। এবার তৃণমূল বিধায়কের নাম না নিয়েই তাঁকে তিহাড়ে পাঠানোর হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

বিচারপতি হিসেবে ইস্তফা দেওয়ার পরই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। বিজেপির টিকিটে তিনি লোকসভা ভোটের জন্য লড়ছেন তমলুক কেন্দ্র থেকে। এবারে তমলুক বেশ হাইভোল্টেজ কেন্দ্র। তৃণমূলের হয়ে এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। আর সিপিএমের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ত্রিমুখী লড়াইয়ে এগিয়ে থাকতে বেশ জোরকদমে প্রচার শুরু করেছেন তিন প্রার্থীই।

এবার নন্দকুমারে ভোট প্রচারে গিয়ে সেখানের তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার দে-কে হুঁশিয়ারি দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। নাম না করেই বললেন, “আমি হুঁশিয়ারি দিয়ে যাচ্ছি বিধায়ককে। আপনি যদি দুর্বৃত্তপনা বন্ধ না করেন, যদি সন্ত্রাস সৃষ্টি বন্ধ না করেন, তাহলে আপনার দিন কিন্তু ঘনিয়ে এসেছে। কীভাবে তিনি এত সম্পত্তি করলেন? সমবায় তৈরি করে দুর্নীতি করলেন… সেই জিনিসটা নিয়ে তদন্ত শুরু হবে এবং তিনি হয়ত আবার তিহাড়ে চলে যেতে পারেন”।

কিন্তু কেন হুঁশিয়ারি দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)?

বিজেপি প্রার্থীর কথায়, “সেখানকার বিধায়ক শুধু দুর্নীতি নয়, সন্ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। আমি তাঁকে হুঁশিয়ারি দিয়েছি। যতক্ষণ আমি এই ধরনের ঘটনা শুনতে থাকব, ততক্ষণ হুঁশিয়ারি দিয়ে তাঁকে সবাধান করতে থাকব”।

তবে বিজেপি প্রার্থীকে (Abhijit Ganguly) পাল্টা জবাব দিতে দেরি করে নি ঘাসফুল শিবির। বিধায়ক সুকুমার দে পাল্টা তোপ দেগে বলেন, “নন্দকুমারের মাটিকে তিনি চেনেন না। এখানে কোনওদিন সন্ত্রাস হয়নি, আগামী দিনেও হবে না। হয়ত কতিপয় মানুষের স্বার্থসিদ্ধি হয় না বলে তাঁকে ভুল বুঝিয়েছেন। তাঁদের কথা শুনে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। তিনি বিচারপতির আসনে ছিলেন। এখন রাজনীতির ছত্রছায়ায় এসেছেন। আরও কিছুদিন রাজনীতি করুন, তারপর বুঝতে পারবেন রাজনীতি কী জিনিস”।

আরও অন্যান্য খবর