রাজ্য

সম্পত্তি বৃদ্ধির জন্য সুকন্যাকে গ্রেফতার করা হলে অমিত শাহ্‌’র ছেলে কেন বাদ? কেষ্টকন্যার পাশে দাঁড়িয়ে সরব অভিষেক

অনুব্রতহীন বীরভূমে কর্মসূচি করতে গিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন অনুব্রতর গড়ে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্‌’র ছেলে জয় শাহ্‌’র গ্রেফতারির দাবী তুললেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, সম্পত্তি বৃদ্ধির জন্য যদি অনুব্রতকন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে অমিত শাহ্‌’র ছেলে জয় শাহ্‌’কে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না? এদিন গরু পাচারে বিএফএফের যোগ নিয়েও সরব হন তিনি।

মুর্শিদাবাদের জনসংযোগ কর্মসূচি সেরে আজ, মঙ্গলবার বীরভূমের নলহাটি গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে মুরারইয়ের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলের পাশাপাশি ইডি-সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েও সরব হন তিনি। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলে গ্রেফতারি নিয়েও মুখ খোলেন অভিষেক।

অমিত শাহ্‌’র ছেলে জয় শাহ্‌কে নিশানা করে অভিষেকের প্রশ্ন, “সুকন্যা মণ্ডলের সম্পত্তি ১৫০ গুণ বেড়েছে বলে গ্রেফাতরি। অমিত শাহের ছেলে জয় শাহের সম্পত্তি তো ৮০ হাজার গুণ বেড়েছে। তাহলে ওঁকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না? কেউ এনিয়ে তো প্রশ্ন তুলছেন না”।

এমনকি এদিন গরু পাচারের অভিযোগে অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর কথায়, “গরু চোর ধরতে বেরিয়েছে বাবুরা (ইডি-সিবিআই)। বীরভূমের জেলা সভাপতিকে গরু চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু বিএসএফ কার অধীনে? গরু চুরির টাকা কোথায় যায়”?

তাঁর সংযোজন, “এখানে আমি কাউকে ডিফেন্ড করতে আসিনি। আইন আইনের পথে চলবে”। এদিন নাম না করেী বিজেপিকে নিশানা করেন অভিষেক। তাঁর দাবি, “ইডি-সিবিআই দিয়ে আমাদের শেষ করতে চাইছে। কিন্তু আমার গলা কেটে দিলেও গলা থেকে জয় বাংলা বের হবে”।

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেী দুর্নীতিতে অভিযুক্ত নেতাদের অনেকের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিয়েছে তৃণমূল। মন্ত্রিসভা থেকে অপসারিত করা হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে। সেইসঙ্গে দুই যুব নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। তবে ব্যতিক্রম হলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে জেলা সভাপতি পদে রেখে দিয়েছে তৃণমূল। আর এবার ফের একবার কেষ্টর পাশে দাঁড়াতে দেখা গেল তৃণমূলকে।

Back to top button
%d bloggers like this: