AC installed in classrooms: নিয়মমাফিক স্কুলে যান শিক্ষক-শিক্ষিকারা তবে পড়ুয়ারা আসে না। এটাই এ রাজ্যের বহু প্রাথমিক স্কুলের চেনা ছবি। এই ছবিতে বদল আনতে এবার হবিবপুরের দোহার পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (Primary school) ক্লাসরুমে বসল এসি। তীব্র গরমে শরীর জুড়াতে স্কুলের ছুটে আসবে ছোটরা তাহলে অন্তত কিছুটা তাদের শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই আশাতেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস রুমে এসি বসানো হয়েছে (AC installed in classrooms)। যে আশাতে বুক বেঁধেছিল স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা। সেই প্রভাব কাজে লেগেছে।
ক্লাসরুমে এসি লাগানোর ফল মিলছে হাতেনাতে বলছেন স্কুলের শিক্ষিকারা। স্কুলের (Primary school) প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর সরকার জানান, “এই প্রবল দাবদাহে এবার অনেক আগেই স্কুলে ছুটি পড়ে যায়। স্কুল খোলার পরেও গরমের তীব্রতা কমেনি। বহু অভিভাবকই এই গরমে ছোটদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না। অনেকসময় ছোটরাও খেলে বেড়াচ্ছে, কিন্তু স্কুলে আসতে চাইছে না। এই পরিস্থিতিতেই ক্লাসঘরে এসি বসানোর চিন্তাভাবনা মাথায় আসে” (AC installed in classrooms)।
প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, “পড়ুয়াদের স্কুলে (Primary school) ফেরানো যাবে কী করে, এই নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েই আমরা স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা বসে আলোচনা করে এসি বসানোর কথা ভাবি। তারপরেই আমরা পঞ্চায়েতের সঙ্গে কথা বলি। কথা বলি ডিস্ট্রিক্ট ইন্সপেক্টরের সঙ্গে। তাঁদের অনুমতি নিয়েই স্কুলের ক্লাসঘরে এসি বসানো হয় (AC installed in classrooms)। স্কুলের জন্য যে ফান্ড আসে তার সঙ্গে আমরা শিক্ষক শিক্ষিকারাও হাত মিলিয়ে এই ব্যবস্থা করি।”
বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে এসি বসেছে ঠিকই তবে এই বিদ্যুতের বিল কে দেবে? এ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক বলেন, “বারো মাস তো আর এসি চালাব না। ইদানিং এতটাই তীব্র গরম পড়েছে যে ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলমুখো (Primary school) হচ্ছে না। এসি চলবে এক মাস (AC installed in classrooms)। বাড়তি বিল বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিজেদের অর্থ থেকেই মেটানো হবে।”
উল্লেখ্য, হবিবপুরের দোহারপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (Primary school) ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৫২। স্কুলের একটি রুমেই ক্লাস ওয়ান থেকে ৫ পর্যন্ত ক্লাস। এসির ঠান্ডা ঘরে বসে ক্লাস করতে খুশি হচ্ছেন ছাত্রছাত্রীরা (AC installed in classrooms)। এখন ছাত্রছাত্রীরাও ক্লাসে আসছেন নিয়মিত। ক্লাস ভর্তি ছাত্র-ছাত্রীদের দেখে খুশি হচ্ছেন শিক্ষকরা।





