‘আম্বানি-আদানি যদি এক ব্যাগ টাকা পাঠায়, তাহলেই তাদের বিরুদ্ধে মন্তব্য করব না…’, নিজের ভাগ্য পরীক্ষণের আগের রাতে বেফাঁস কথা অধীরের

Adhir Chowdhury made controversial remarks: আজ, সোমবার চতুর্থ দফার লোকসভা নির্বাচন। এদিন রাজ্যের আট কেন্দ্রে রয়েছে ভোট গ্রহণ। এর মধ্যে রয়েছে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র বহরমপুর। এই কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের টিকিটে লড়ছেন বিদায়ী সাংসদ অধীর চৌধুরী। আজ তাঁর ভাগ্য পরীক্ষা। কিন্তু ভোটের ঠিক একদিন আগের রাতেই বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন কংগ্রেস প্রার্থী (Adhir Chowdhury made controversial remarks)

গতকাল, রবিবার এক সাক্ষাৎকারে অধীর চৌধুরী বলেন, আম্বানি-আদানি তাঁকে যদি টেম্পো ভর্তি টাকা পাঠায়, তাহলেই তিনি আর তাদের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করবেন না। নিজের ভাগ্য পরীক্ষণের আগের রাতে এহেন মন্তব্য করে বেশ বিতর্কের জন্ম দিলেন কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতি (Adhir Chowdhury made controversial remarks)

অধীরের এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই ময়দানে নেমেছে বিজেপি। কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রশ্ন তুলেছিলেন, রাহুল গান্ধী এখন আদানি-আম্বানিদের বিরুদ্ধে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাহলে কী সেখান থেকে রাহুলের জন্য টাকা পাঠানো হয়েছে? আর এবার সেই প্রেক্ষিতেই এমন মন্তব্য করলেন অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury made controversial remarks)

তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, টেম্পো ভর্তি টাকা যদি পাঠানো হয়, তাহলে সেসব কোথায়? অধীরের জবাব, “আমি বিপিএল তালিকাভুক্ত মানুষ। তাই আমার অর্থের খুব প্রয়োজন। গরিব হওয়ায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে অর্থের প্রয়োজন (Adhir Chowdhury made controversial remarks)। তাই আমার টেম্পোর প্রয়োজন নেই। যদি আদানি এক ব্যাগ টাকা পাঠায় সেটা আমার জন্য যথেষ্ট”।

কিন্তু সংসদে অধীরকে একাধিকবার আম্বানি-আদানিদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলতে দেখা গিয়েছে। সেই বিষয়ে অধীরের জবাব, “হ্যাঁ, আমি ওদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলি। কারণ ওরা তো আমাকে টাকা পাঠায়নি (Adhir Chowdhury made controversial remarks)। যদি তাঁরা পাঠায় মানুষ শান্ত হয়ে যাবে”।

অধীরের এহেন মন্তব্য (Adhir Chowdhury made controversial remarks) সামনে আসতেই তা নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছে বিজেপি। তাদের কথায়, অধীর আসল ‘হপ্তা ভাসুলি মডেল কংগ্রেস’ সামনে এনেছেন। এই প্রসঙ্গে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনওয়াল বলেছেন, “‌উনি নিজে মুখেই স্বীকার করেছেন, ওরা যদি টাকা দেয় তাহলে সংসদে চুপ করে থাকবে। আর না দিলে সোচ্চার হবে। এখন রাহুল গান্ধীও চুপ করে গিয়েছেন ওই দু’‌জনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা থেকে। ইউপিএ জমানায় এভাবেই ১২ লক্ষ কোটি টাকা আয় করেছিল কংগ্রেস। তাই আইএনসি মানে আমি চাই দুর্নীতি। এটা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক তোলাবাজি। সংসদের ভিতরে–বাইরে তাঁরা যা বলেন সেটা টাকার জন্য”।

RELATED Articles