আজ, মঙ্গলবার আর জি কর কাণ্ডের শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। এদিন আদালতে প্রথম থেকেই চিকিৎসকদের নিরাপত্তার দিকটি উত্থাপন করা হয়। এখনও কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তারা কবে কাজে ফিরবেন, তা নিয়ে এদিন আদালতে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের তরফের আইনজীবী কপিল সিব্বল। জবাবে কী জানালেন চিকিৎসকদের আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং।
আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের পর থেকেই কর্মবিরতি চলছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। হাসপাতালে নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন তারা। তাদেরই সহকর্মীকে যেভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, এরপর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে জুনিয়র চিকিৎসকরা। ফলে কাজে না যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাদের।
এর আগেও সুপ্রিম কোর্টে হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে নানান নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিনের শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার স্বার্থে নানান ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে রাজ্য। হাসপাতালে বাড়ানো হচ্ছে সিসিটিভি সংখ্যা, মহিলা ও পুরুষ চিকিৎসকদের জন্য আলাদা রেস্টরুম ই হাসপাতালে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেও নজর দিয়েছে রাজ্য।
এদিন কপিল সিব্বলকে আদালতের তরফে প্রশ্ন করা হয়, ৪১৭টি সিসিটিভি বসানোর কথা। তবে এখনও পর্যন্ত বসেছে মাত্র ৩৭টি বসেছে কেন। এর জবাবে সিব্বল জানান, অতিদ্রুত কাজ হবে। আগামী ৭-১৪ দিনের মধ্যে সমস্ত কাজ হয়ে যাবে বলে জানান সিব্বল। নিরাপত্তার স্বার্থে সমস্ত মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল, সিনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে জেলাশাসককে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছে এদিন আদালত। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত হাসপাতালে সিসিটিভি বসাতেই হবে বলে সময়সীমা বেঁধে দেন প্রধান বিচারপতি।
এদিন চিকিৎসকদের আইনজীবী জানান, নিরাপত্তা যদি সুনিশ্চিত থাকে, তাহলে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফিরতে কোনও আপত্তি নেই। এদিন আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিংকে কপিল সিব্বল প্রশ্ন করেন, চিকিৎসকরা কবে থেকে কাজে যোগ দেবেন? জবাবে আইনজীবী জয়সিং জানান, মঙ্গলবার অথবা বুধবার জুনিয়র চিকিৎসকরা জিবি বৈঠক করবেন। তারপরই এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। তবে এই বিষয়ে কোনও তারিখ আইনজীবী বলতে চান নি।





